পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি, গুরদাসপুরে পাক জঙ্গি হামলার মতো ঘটনায় যখন ভারত-পাক সম্পর্ক তলানিতে, তখন টুইটারে এই শুভেচ্ছাবার্তা নতুন মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করা হচ্ছে।
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী টুইট করেন,পাকিস্তানের সকল নাগরিককে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা এবং শুভকামনা রইল।
বৃহস্পতিবারই হাফিজ সইদ এবং তার সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কার্যকলাপের উপরে নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাক সরকার। সীমান্তে অশান্তির পারদ যখন ক্রমশই চড়ছে, পাক-সরকারের এমন সিদ্ধান্তে ভারতের প্রতি খানিক নরম মনোভাবেরই ইঙ্গিত মিলেছে। আর এর পরের দিনই এল প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছাবার্তা।
চলতি মাসের ২৩ তারিখ দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পর্যায়ের বৈঠকের আগে এই দুই ঘটনাকেই যথেষ্ট সদর্থক বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। যদিও এরই মধ্যে ভারতে নিযুক্ত পাক হাই কমিশনার আব্দুল বাসিতের মন্তব্যে তৈরি হয়েছ বিতর্ক।
কাশ্মীর নিয়ে নিজেদের পুরনো অবস্থানে অনড় থেকে বাসিত বলেন, “দুই দেশেরই উচিত যত দ্রুত সম্ভব কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করা। আর তা যত দিন না হচ্ছে, তত দিন কাশ্মীরীদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে তাদের সমর্থন করবে পাকিস্তান।”
তবে বাসিতের এই বক্তব্যকে নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাতে রাজি নয় নয়াদিল্লি। তাদের আপাতত পাখির চোখ ২৩ অগস্টের বৈঠকের দিকেই। সূত্র: আনন্দবাজার
এআর





