শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান মনে করছে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও কঠিন ও বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে ফেলা সম্ভব হবে। বর্তমানে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলা তুলনামূলক সীমিত পর্যায়ে থাকলেও যেকোনো সময় উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন মার্কিন গোয়েন্দারা।
সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে ইরান নিজেদের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এর ফলে দীর্ঘ সময় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়ে তেহরানের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে।
মার্কিন গোয়েন্দাদের মতে, ইরানের সঙ্গে এই মুহূর্তে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো আগের তুলনায় আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল করার লক্ষ্যও ইরানের থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান সংঘাত আরও বাড়ানোর পথ বেছে নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে গত জুলাইয়ের মতো মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
শুধু সামরিক হামলা নয়, ইরানি হ্যাকারদের নতুন করে সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দাদের ধারণা, পুনর্গঠিত সাইবার দলগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও ডিজিটাল অবকাঠামোয় হামলার চেষ্টা করতে পারে।
এসব হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য হতে পারে মার্কিন সাধারণ মানুষের মধ্যে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব জোরদার করা এবং দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত নিয়ে অভ্যন্তরীণ চাপ তৈরি করা।
এস