ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে মোককচুং জেলার আটজন এবং তুয়েনসাং জেলার ১১ জন রয়েছেন।

ঘটনার পর ভেজাল মদের উৎস ও সরবরাহকারীদের শনাক্ত করতে বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠন করেছে পুলিশ। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট জেলার সিনিয়র পুলিশ সুপার ভেসুপরা কেজো।

পুলিশ জানিয়েছে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আই বাংল্যাং চ্যাংয়ের নেতৃত্বে গঠিত দলটি মৃত্যুর কারণ এবং অবৈধ মদের সরবরাহ চক্রের বিষয়ে তদন্ত করছে। মৃতদের নমুনা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য গুয়াহাটিতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্তে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার আগে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে না।

এদিকে রাজ্যজুড়ে অবৈধ মদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রায় তিন হাজার বোতল অবৈধ মদও জব্দ করা হয়েছে।

১৯৯০ সালে ‘নাগাল্যান্ড লিকার টোটাল প্রোহিবিশন অ্যাক্ট’ কার্যকর হওয়ার পর রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে মদ নিষিদ্ধ করা হয়। তবে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও অবৈধভাবে মদ উৎপাদন ও সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে।

সাম্প্রতিক ঘটনায় দুই জেলায় অল্প সময়ের মধ্যে এত মানুষের মৃত্যুর পর অবৈধ মদের সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে তদন্তে নেমেছে কর্তৃপক্ষ।

এস