শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এসব বলেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজিদ আল-আনসারি।
তিনি বলেন, ইসরাইলের রাজনীতিকদের ব্যর্থতার জন্য কাতারকে বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় দোহার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
আল-আনসারি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে কাতার। পাশাপাশি বৃহত্তর কূটনৈতিক তৎপরতা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থনও অব্যাহত থাকবে।
ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলার পর কাতারের পক্ষ থেকে এই প্রতিক্রিয়া এল। মঙ্গলবারের জাতীয় নির্বাচন ‘আরব দলগুলো চুরি করেছে’ বলে অভিযোগ করেন নেতানিয়াহু।
তবে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট ও চ্যানেল ১৩-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করতে কাতার ও তুরস্কের অর্থায়ন করা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করছে ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত।
এসব অভিযোগকে ‘হাস্যকর ও বিপজ্জনক’ বলে অভিহিত করেছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। তিনি বলেন, ইসরাইলের নির্বাচনি বক্তব্যে বারবার কাতারকে জড়ানোর ঘটনা দেশটির কিছু রাজনীতিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের কাতারকে নিয়ে অতিরিক্ত আচ্ছন্নতার প্রকাশ।
এনএইচ
















