মঙ্গলবার (৩১ মে) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

গ্যাসটেরা জানিয়েছে, তারা এই পদক্ষেপের প্রত্যাশা করেছিল। অন্য কোথাও থেকে তারা ২০০ কোটি ঘনমিটার গ্যাস কিনবে। আংশিক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাটি ডাচ সরকারের পক্ষে গ্যাস কেনা-বেচা করে থাকে।

ডাচ অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র পিটার টেন ব্রুগেনকেট বলেছেন,‘একে এখনও সরবরাহের জন্য হুমকি হিসাবে দেখা হচ্ছে না।’

প্রসঙ্গত, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পূর্ব ইউক্রেনের রুশপন্থী বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহীদের দুই রাষ্ট্র ‘দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক’ ও ‘লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক’কে স্বীকৃতি দিয়ে শান্তি রক্ষায় ওই অঞ্চলে সেনাবাহিনী পাঠায় রাশিয়া।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশপন্থী বিদ্রোহীদের সহায়তার লক্ষ্যে মস্কো স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীকে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার অভিযানের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।

এরপর থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর জবাবে রাশিয়া জানিয়ে দেয়, মস্কোর কাছ থেকে গ্যাস কিনতে হলে ডলারে নয়, বরং রুবলে দাম পরিশোধ করতে হবে।

শর্ত না মানায় ইতোমধ্যে বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড ও ফিনল্যান্ডে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া।

এইচএন