অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ইসরাইলি দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। আর ও আফ্রিকা বিষয়ক ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির –আব্দুল্লাহিয়ান বলেছেন, অত্যাধুনিক রকেটবাহী একটি জাহাজ ইরান থেকে গাজায় যাচ্ছিল বলে যে দাবি করা হচ্ছে তা আগাগোড়াই ভিত্তিহীন।
গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী হামাস ও ইসলামী জিহাদ আন্দোলনও ইহুদিবাদী ইসরাইলের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। হামাসের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, গাজা উপত্যকার ওপর ৭ বছরের কঠোর অবরোধের যৌক্তিকতা প্রমাণের লক্ষ্যে এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করেছে তেলআবিব।
ইসরাইল বুধবার বিকেলে দাবি করেছিল, তাদের নৌবাহিনী লোহিত সাগরে হানা দিয়ে একটি জাহাজ আটক করেছে যাতে বহু অত্যাধুনিক রকেট পাওয়া গেছে। এসব রকেট ইরান থেকে গাজায় হামাসের কাছে যাচ্ছিল।
গাজা উপত্যকার ওপর গত সাত বছর ধরে কঠোর অবরোধ আরোপ করে রেখেছে ইসরাইল। এর ফলে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সেখানকার প্রায় ১৭ লাখ অধিবাসী। খাদ্য, বস্ত্র ও চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকার বঞ্চিত এসব মানুষের পক্ষে কথা বলার জন্য মানবাধিকারের কথিত ধ্বজাধারী পাশ্চাত্যকে কোনো ধরনের কথা বলতে শোনা যায় না। সূত্র: আইআরআইবি
[b]ঢাকা, ৬ মার্চ (টাইমনিউজবিডডিটকম) // ইএইচ[/b]
গাজায় রকেট পাঠানোর ইসরাইলি দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ইসরাইলি দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। আর ও আফ্রিকা বিষয়ক ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির –আব্দুল্লাহিয়ান বলেছেন, অত্যাধুনিক রকেটবাহী একটি জাহাজ ইরান থেকে গাজায় যাচ্ছিল বলে যে দাবি করা হচ্ছে তা আগাগোড়াই ভিত্তিহীন। গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী হামাস ও ইসলামী জিহাদ আন্দোলনও ইহুদিবাদী ইসরাইলের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ল
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে নিহত সেনাসদস্যের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে আরও দুই সেনাসদস্যের মৃত্যুর তথ্য যুক্ত করেছে পেন্টাগন। তবে তাঁদের মৃত্যু যুদ্ধের সরাসরি সংঘাতের কারণে হয়নি। আট মাসেরও বেশি সময় পর হতাহতের এই হালনাগাদ হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে।
ইরানের শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নয়: গালিবাফ
ইরানের দেওয়া সাতটি শর্ত মেনে না নিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা এগোবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের চাপ কিংবা প্রলোভনে তেহরান নতি স্বীকার করবে না। আলোচনায় অগ্রগতির জন্য ইরানের শর্তগুলো মেনে নেওয়াই একমাত্র পথ।
ইরানের ২ বিলিয়ন ডলারের গোপন সামরিক নেটওয়ার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সামরিক সরঞ্জাম আমদানির জন্য পাঁচ হাজারের বেশি সংস্থার একটি গোপন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইরান। এসব সংস্থার মাধ্যমে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অন্তত ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম, বিস্ফোরক ও ভারি ট্রাক আমদানি করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে এ তথ্য উঠে এসেছে।
শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান: আইআরজিসি
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত পুরোপুরি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীটির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেছেন, প্রণালিটি বর্তমানে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা হলে বিশ্ববাজারে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে
ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা চালানো হলে বিশ্ববাজারে ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তাঁর মতে, ইসরায়েলের উসকানিতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে জ্বালানি সরবরাহকারী দেশগুলোর পাশাপাশি ভোক্তারাও বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারেন।














