ভারতের হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী নির্বাচন পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য জোট গড়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন তা প্রত্যাখ্যান করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি, উত্তর প্রদেশের বহুজন সমাজবাদী পার্টির (বিএসপি) নেত্রী মায়াবতী এবং অন্ধ্র প্রদেশের টি আর এস নেতা কে চন্দ্রশেখর রাও।
বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাতকারে মোদী বলেছিলেন, তিন কন্যা মমতা, মায়াবতী এবং জয়ললিতাকে তিনি জোটে চাইবেন। জবাবে বিএসপি নেত্রী মায়াবতী শুক্রবার সাংবাদিকদের বলছেন, “বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদী সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন, দরকার হলে তিনি আইএডিএমকে নেত্রী, তৃণমূল নেত্রী ও বিএসপির শীর্ষনেত্রীর সমর্থন চাইবেন। কিন্তু আমি পরিষ্কার জানিয়ে দিচ্ছি, কেন্দ্রে কোনো কিছুর বিনিময়েই বিজেপি-এনডিএকে সমর্থন দেব না।”
মায়াবতী গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী মোদীকে উদ্দেশ করে বলেন, “উনি নার্ভাস হয়ে পড়েছেন। বিজেপি হয়ত বুঝতে পেরেছে সরকার গড়ার জায়গায় যেতে নাও পারে তারা।”
এদিকে, তৃণমূলের রাজ্যসভা সদস্য ডেরেক ও ব্রায়েন বিজেপির সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা নাকচ করে বলেছেন, উনি যদি বলেন, মোদীর নেতৃত্বে সরকার গড়তে বিজেপি দরজা খোলা রাখছে, তবে আমরা বলব, আমাদের দরজা বন্ধ আর চাবিও পাওয়া যাচ্ছে না! তিনি এও বলেন, বিজেপির ৩৭২টি আসন পাওয়ার দাবিতে বিভ্রম রয়েছে। বড়জোর তারা ১৮০ থেকে ১৯০টি আসন পেতে পারে।
তৃণমূল যে বিজেপিকে সমর্থন দেবে না তার প্রমাণ মেলে মমতার সাম্প্রতিক বিভিন্ন মন্তব্যেও। গতকালও (শুক্রবার) তিনি এক নির্বাচনী জনসভায় বলেছেন, “গুজরাট দাঙ্গার ভয়াবহতা দেখুন, সেখানে ছোট ছোট শিশু ও মহিলাদের জীবন্ত অবস্থায় গায়ে আগুন দেয়া হয়েছে। যদি তারা ক্ষমতায় আসে তাহলে দেশকে বেচে দেবে। দাঙ্গায় উস্কানি দেবে। সব ধর্মের, ভিন্ন ধর্মের, ভিন্ন মতাদর্শের মানুষ বাংলায় একসঙ্গে বসবাস করছে। আর তাতেই ‘দাঙ্গাবাবু’ রাগে জ্বলেপুড়ে যাচ্ছেন।”
নাম উল্লেখ না করেই নরেন্দ্র মোদীকে ‘দাঙ্গাবাবু’ বলে কটাক্ষ করেন মমতা। দাঙ্গাবাবুর পাশাপাশি মোদীকে ‘লাট সাহেব’ আখ্যাও দেন তৃণমূল নেত্রী।
অন্যদিকে, অন্ধ্র প্রদেশের টি আর এস নেতা চন্দ্রশেখর বলেছেন, ইউপিএ সরকার গড়ার পরিস্থিতিতে থাকলে রাহুল গান্ধীকে আমরা প্রধানমন্ত্রী পদে চাইব। না হলে বামেদের তৃতীয় ফ্রন্টকে সমর্থন করব।
মমতা, মায়াবতী ও চন্দ্রশেখর বিজেপিকে সমর্থন না দেয়ার ঘোষণা দেয়ায় মোদীর ভোট পরবর্তী জোট গড়ার পরিকল্পনা যে ধাক্কা খেল তা বলাই বাহুল্য। কারণ নির্বাচনের পর কংগ্রেসের হাত যতে শক্তিশালী হবে, বিজেপি তত দুর্বল হবে। সূত্র: আইআরআইবি।
[b]ঢাকা, ১০ মে(টাইমনিউজবিডি) // টিআই[/b]
মোদীর পরিকল্পনায় ধাক্কা: সমর্থন দেবেন না মমতা, মায়াবতী, চন্দ্রশেখর
ভারতের হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী নির্বাচন পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য জোট গড়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন তা প্রত্যাখ্যান করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি,
‘মোদি সরকারের মেয়াদ ফুরিয়ে আসছে’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে পিএম-দক্ষ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থতা ও বরাদ্দ অর্থের যথাযথ ব্যবহার না করার অভিযোগ তুলেছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। প্রকল্পটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরকারকে কটাক্ষ করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ।
মোদির বাসভবনের পাশের ঐতিহাসিক মসজিদ খালি করার নির্দেশ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবন ৭, লোক কল্যাণ মার্গের পাশে অবস্থিত ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদ ৬ দিনের মধ্যে খালি করার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এলঅ্যান্ডডিও)।
পুরো প্রজন্মকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার চেষ্টা করছেন মোদি : মমতা
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, গ্রেপ্তারের মাধ্যমে একটি পুরো প্রজন্মকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার চেষ্টা চলছে।
মোদিকে হিটলার-মুসোলিনির পরিণতি স্মরণ করিয়ে ধ্রুব রাঠির হুঁশিয়ারি
ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আটকের নামে তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হিটলার ও মুসোলিনির পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই ইউটিউবার।
‘মোদি ভারতের জন্য লজ্জার’ মুক্তি পেয়ে অভিজিতের বার্তা
আটক থেকে মুক্তি পেয়েই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদি ভারতের জন্য ‘লজ্জার’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
















