‘আমাদের হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে যন্ত্রণায়। আমরা পেশোয়ার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মর্মাহত।’
গণমাধ্যমে রবিবার ই-মেইলে পাঠানো চার পৃষ্ঠার একটি বিবৃতিতে আল-কায়েদার দক্ষিণ এশিয়া শাখার মুখপাত্র ওসামা মেহমুদ বলেন, ‘ওই ঘটনায় (স্কুলে হামলা) বেদনায় ও দুঃখে আমাদের হৃদয় ভেঙ্গে গেছে।’
গত সপ্তাহে পাকিস্তানের পেশোয়ারে সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি স্কুলে তালেবান হামলায় ১৪৯ নিহত হওয়ার পর আল-কায়দা নেতা এই বিবৃতি দিলেন।নিহতদের ১৩২ জন স্কুল শিক্ষার্থী। তাদের বেশিরভাগ সেনাবাহিনীর সদস্যদের সন্তান।
চার পৃষ্ঠার ওই বিবৃতিতে ওসামা মেহমুদ কেবল নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ‘টার্গেট করতে’ তালেবানের প্রতি আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে মেহমুদ বলেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই যে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অপরাধ এবং বর্বরতার সব সীমা লঙ্ঘন করেছে। এটাও সত্য যে, সেনাবাহিনী আমেরিকার দাসত্বে পরিণত হয়ে মোসলমানদের বিরুদ্ধে গণহত্যায় নেমেছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমরা নির্যাতিত মোসলমানের পক্ষ থেকে বদলা নেবো।’
তিনি আরো বলেন, ‘ যে অস্ত্র আমরা আল্লাহর শত্রু আমেরিকা, তার পোষা শাসক এবং সেবাদাস সেনাবাহিনীর দিকে তাক করেছি, সেই অস্ত্র আমরা আমাদের শিশু, নারী ও মুসলমানদের দিকে তাক করতে পারি না। ’
তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (পিটিপি) দাবি করেছে, সেনাবাহিনী তাদের (জঙ্গি) স্ত্রী ও সন্তানদের টার্গেট করায় তারাও সেনাবাহিনীর সন্তানদের টার্গেট করেছে।
প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বরে আল-কায়েদা প্রধান আইমান আল-জাওয়াহিরি মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও ভারতকে নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন শাখার ঘোষণা দেন।
ইআর





