পিপলস ইউনিয়ন ফর সিভিল লিবার্টিজ, অল ইন্ডিয়া লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন ফর জাস্টিস, ডোমেস্টিক ওয়ার্কার্স রাইটস ইউনিয়ন ও অল ইন্ডিয়া সেন্ট্রাল কাউন্সিল অব ট্রেড ইউনিয়নসের পক্ষ থেকে দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়, পুলিশি অভিযানে ‘বেআইনি আটক, মারধর ও অমানবিক আচরণের’ ঘটনা ঘটেছে।

সংগঠনগুলোর দাবি, শনিবার ভোরে বিভিন্ন বস্তি ও শ্রমজীবী এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পরিচয়পত্র দেখতে চায় পুলিশ । নথি দেখানোর পরও অনেককে জোর করে আটক করে পুলিশের জিপ বা বাসে তুলে থানা, কনভেনশন সেন্টার, ম্যারেজ হলসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, কথিত বাংলাদেশিদের শনাক্ত করার এই অভিযানে ব্যান্ডেপাল্যা এলাকায় দুই শতাধিক, হেব্বাগোডিতে প্রায় ১৫০ জন ও পারাপ্পানা অগ্রহারা এলাকায় ৪০০ জনের বেশি মানুষকে আটক করা হয়। এ ছাড়া ভার্থুর, সোমাসুন্দরাপাল্যা, হোয়াইটফিল্ড, মহাদেবপুরা ও মারাঠাহাল্লি এলাকায়ও বহু মানুষকে আটকের অভিযোগ রয়েছে।

ভার্থুর থানায় আটক কয়েকজনকে লাঠি দিয়ে মারধরের অভিযোগও করেছে সংগঠনগুলো। তাদের দাবি, হেব্বাগোডিতে পুলিশ একটি বসতির দরজা ও সিসিটিভি ভাঙে এবং ৫০টির বেশি মোবাইল ফোন জব্দ করে। বিভিন্ন এলাকায় আটক ব্যক্তিদের ফোন থেকে ব্যক্তিগত বার্তা ও কলের তথ্য পরীক্ষা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

সংগঠনগুলোর অভিযোগ, আন্তর্জাতিক নম্বরে ফোন বা কলের তথ্য পাওয়ার ভিত্তিতে কয়েকজনকে ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে পাঠানো হয়েছে। তাদের বক্তব্য, ‘ফোনে অন্য দেশের নম্বর থাকা কোনো ব্যক্তির বিদেশি নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়।’

অভিযোগকারীরা এই অভিযানকে ‘বেআইনি ও সাংবিধানিকভাবে অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে বলেন, আইনসম্মত প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক করা যায় না।

আটক ব্যক্তিদের অবিলম্বে মুক্তি, আহতদের চিকিৎসা, পুরো ঘটনার স্বাধীন তদন্ত ও অভিযানে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে চার সংগঠন। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য নথি সংরক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণেরও দাবি জানানো হয়েছে।

এস