ইউক্রেনে রাশিয়াপন্থী ১১ রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
আজ রোববার (২০ মার্চ) এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই ঘোষণা করেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে জানানো হয়।
ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়ান ফেডারেশনের বিপুল মাত্রায় যুদ্ধ শুরুর জেরে এবং এর সাথে (রাশিয়া) রাজনৈতিক দলগুলোর সংযোগ থাকায়, সামরিক আইনের অধীনে ওই রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।’
নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধী দলীয় প্ল্যাটফর্ম ফর লাইফ রয়েছে। ইউক্রেনীয় পার্লামেন্টের ৪৫০ আসনের মধ্যে দলটির ৪৪টি আসন রয়েছে। দলটির নেতা ভিক্টর মেদভেদচুক রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। পুতিন মেদভেদচুকের মেয়ের ধর্মপিতা।
অপর নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অপজিশন ব্লক, পার্টি অব শারে, আওয়ার্স পার্টি, লেফট অপজিশন, ইউনিয়ন অব লেফট ফোর্সেস, স্টেট, প্রোগ্রেসিভ সোশ্যালিস্ট পার্টি অব ইউক্রেন, সোশ্যালিস্ট পার্টি ইউক্রেন ও ভ্লাদিমির সালদো ব্লক রয়েছে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পূর্ব ইউক্রেনের রুশপন্থী বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জেরে ২১ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহীদের দুই রাষ্ট্র ‘দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক’ ও ‘লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক’কে স্বীকৃতি দিয়ে শান্তি রক্ষায় ওই অঞ্চলে সৈন্য পাঠায় রাশিয়া।
পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশপন্থী বিদ্রোহীদের সহায়তার লক্ষ্যে রুশ স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীকে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার অভিযানের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনকে পুতিন ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করছেন। ইউক্রেনকে ‘বেসামরিকীকরণ’ ও ‘নাৎসিমুক্ত’ করার জন্যই তিনি এই অভিযান চালিয়েছেন বলে দাবি করছেন। সূত্র : আলজাজিরা ও বিবিসি।
এবিএস





