পাকিস্তানে নির্বাচন হয়েছে গত ৮ ফেব্রুয়ারি। এখন পর্যন্ত দেশটিতে কে হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তা নিশ্চিত নয়। এরইমধ্যে ভোট কারচুপির অভিযোগ তো ছিলই, এমনকি এমন অভিযোগ তুলে বিজয়ী হয়েও সরে দাঁড়ানোর ঘোষণার কথা শোনা গেছে।

কেন্দ্রীয় তথ্য সেক্রেটারি রওফ হাসান বলেছেন, দল এবং তার প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে বড় ভোট জালিয়াতির’ কারণে পাকিস্তানের ইতিহাসে ২০২৪ সালকে মনে রাখা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের হিসেব অনুযায়ী ১৭৭টি আসন আমাদের হওয়ার কথা ছিল। তার মধ্যে মাত্র ৯২টি আমাদের দেওয়া হয়েছে। ৮৫টি আসন আমাদের কাছ থেকে প্রতারণামূলকভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’ তার দল এ বিষয়ে সাংবিধানিক ও আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে জানিয়েছেন তিনি।

রওফ হাসান আরও বলেন, ‘আমরা ৪৬টি আসনের তথ্য যাচাই করেছি। এর মধ্যে ৩৯টি আসনে গড়মিল করা হয়েছে। নির্বাচনে কারচুপির বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য দলটির কাছে তিনটি উপায় ছিল। তার মধ্যে একটি হলো ফর্ম ৪৫ এবং ফর্ম ৪৭ এর মধ্যে অমিল রয়েছে।

এসএম