সাবেক এক তুর্কি সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে উৎখাত করতে চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরদোগানকে সরাতে ব্যর্থ অভ্যুত্থানে অভিযুক্ত তুরস্কের সাবেক সেনাপ্রধানের নাম ইলকের বাসবুগ।
তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন জাস্টিজ অ্যান্ড ডেভলভমেন্ট পার্টির আইনপ্রণেতারা।-খবর হুররিয়াত ডেইলির
শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একে পার্টির সেন্ট্রাল আনাতোলিয়ান কায়সেরি প্রদেশের উপপ্রধান মুস্তফা ইলিতাস জানান, বিকেলে তিনিসহ আরও পাঁচ আইনপ্রণেতা বাসবাগের বিরুদ্ধে একটি মামলা করতে যাচ্ছেন।
মুস্তফা ইলিতাস ছাড়াও বাকি আইনপ্রণেতারা হলেন, বেকির বোজদাগ, আহমেদ আয়দুন, ইয়াহইয়া দোগান, মেহমেত সেইলান ও আবদুর রহমান মুফতি ইয়াতকিন। তাদের অভিযোগ, সাবেক শীর্ষ কমান্ডার তাদের বিরুদ্ধে ফেতু গ্রুপের সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
মুস্তফা ইলিতাস বলেন, ইলকার ব্যাসবাগ ও দুরসুন সিসেকের বিরুদ্ধে আমাদের আইনজীবীরা ফৌজদারি মামলা দায়ের করবেন। মানহানি ও অপবাদ ছড়ানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে।
দুরসুন সিসেকের বিরুদ্ধে মামলা কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে বিতর্কিত নেতা গুলেনের (ফেতু)- এর রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
এর আগে বাসবুগের বিরুদ্ধে মামলা করতে তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।
২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন বাসবুগ। তিনি বলেন, সামরিক কর্মকর্তাদের বিচারে একটি বিশেষ আদালত গঠনে ২০১৯ সালে প্রণীত আইনটি গুলেন মুভেমেন্টের উৎসাহেই করা হয়েছে।
এর আগে তিনি বলেন, ২০১৬ সালের ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের নেপথ্যে থাকা গুলেন মুভমেন্ট (এফইটিও) নামের গ্রুপটি পার্লামেন্টে একটি আইনপ্রণয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। ওই আইনের ফলেই এক দশক আগে বেশ কয়েকজন সামরিক সদস্যকে কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়েছে।
বাসবুগ জানান, এই আইনে তিনিসহ শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে ব্যবহার করা হচ্ছে। আর গুলেন মুভমেন্টের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এই আদালত।





