আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় দেশের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদী। প্রথা অনুযায়ী দরবার হল নয়, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে। মোদীর সঙ্গেই শপথ নেবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা।
রোববার রাতে বিবৃতি দিয়েই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আকারে ছোট মন্ত্রিসভার পক্ষে নরেন্দ্র মোদী। কারা কারা আজ শপথ নেবেন তার তালিকা আজ সকালেই রাষ্ট্রপতি ভবনে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
চন্দ্রশেখর এবং অটলবিহারী বাজপেয়ী শপথ নিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে। নরেন্দ্র মোদীর ইচ্ছানুযায়ী এ বারও সেখানেই হবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। উপস্থিত থাকবেন তিন হাজারের বেশি অতিথি। রাষ্ট্রপতি ভবনে একসঙ্গে এত অতিথি সমাগম এর আগে হয়নি। দরবার হলে এতজনের জায়গা না হওয়ায় ফোরকোর্টেই মোদীকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই শপথ নেবেন অন্য মন্ত্রীরা।
ইউপিএ সরকারে মন্ত্রীর সংখ্যা ছিল ৭১। রোববার রাতে গুজরাট ভবনে নরেন্দ্র মোদীর সচিবালয় থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, বহরে বড় মন্ত্রিসভা চাইছেন না ভাবী প্রধানমন্ত্রী। তিনি চাইছেন আকারে ছোট অথচ কর্মদক্ষ মন্ত্রিসভা। সে ক্ষেত্রে নতুন সরকারে মন্ত্রীদের সংখ্যা ৩০ থেকে ৩৫ সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। কিন্তু, কারা জায়গা পাবেন মোদী মন্ত্রিসভায়?
শপথের আগের দিনও এ নিয়ে বজায় রয়েছে চূড়ান্ত গোপনীয়তা। বিজেপি নেতারাই বলছেন, খোদ নরেন্দ্র মোদী এবং আরএসএস শীর্ষ নেতারা ছাড়া এখনও পর্যন্ত কেউ জানেন না সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রী হিসাবে আর কারা শপথ নেবেন।
এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে মন্ত্রী হতে পারেন, সুষমা স্বরাজ, নীতীন গাড়করি, বেঙ্কাইয়া নাইডু। মন্ত্রিসভায় আসতে পারেন রবিশঙ্কর প্রসাদ, অরুণ জেটলি ও বিজেপির কোষাধ্যক্ষ পীযূষ গোয়েল।
উত্তর প্রদেশে বিপুল জয়ের পর হিন্দি বলয়ের হৃদয়পুর থেকে একাধিক সাংসদ মন্ত্রী হতে পারেন। মোদী চাইছেন, মানুষের সঙ্গে সংযোগ রেখে চলতে পারবেন এমন সাংসদদেরই মন্ত্রী করতে। সেক্ষেত্রে, অভিজ্ঞতা কম থাকলেও ক্ষতি নেই।
নতুন সরকারে কী ভূমিকা নেবেন লালকৃষ্ণ আডবাণী ও মুরলী মনোহর যোশী তা এখনও স্পষ্ট নয়। জানা যাচ্ছে সক্রিয় রাজনীতিতে থাকার জন্য দুজনেই লোকসভার স্পিকার হতে চাইছেন না। আডবাণী-যোশী দলকেও জানিয়েছেন সে কথা। তারা রাজি না হলে স্পিকার হতে পারেন সুমিত্রা মহাজন।
রবিবার, দিনভর দল ও শরিক নেতাদের সঙ্গে দিল্লির গুজরাত ভবনে বৈঠক করেন নরেন্দ্র মোদী। আরএসএস দফতর কেশব কুঞ্জেও ছিল নেতাদের আনাগোনা। শিবসেনা, টিডিপি, এলজেপির মতো শরিক দলের নেতাদেরও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সামিল করা নিয়ে চলছে ভাবনাচিন্তা। এ দিন মোদীর সঙ্গে দেখা করেন টিডিপি নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু। তবে, শেষ পর্যন্ত কারা মন্ত্রী হচ্ছেন তা এখনও অজানা। সোমবার মন্ত্রী হিসাবে যারা শপথ নেবেন তারাও জানেন না যে শিকে ছিঁড়তে চলেছে।
বিজেপি সূত্রের খবর, দলের অনেক নেতারাই এখন অপেক্ষা করছেন খোদ মোদী বা তার ঘনিষ্ট অমিত শাহের ফোনকলের। তবে, অমিত শাহ নিজে কি মোদী মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন?
বিজেপি নেতারা বলছেন, সে কথা জানেন শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদীই। সূত্র: জি নিউজ
[b]ঢাকা, ২৬ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ[/b]
মোদী সরকারের যাত্রা শুরু হচ্ছে আজ
আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় দেশের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদী। প্রথা অনুযায়ী দরবার হল নয়, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে। মোদীর সঙ্গেই শপথ নেবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা।
শিক্ষার্থী আন্দোলন নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি মোদি সরকার
ভারতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের অভিযানের অভিযোগ নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনায় রাজি হয়েছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। এ বিষয়ে সংসদে বক্তব্য দিতে প্রস্তুত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
শিক্ষামন্ত্রীর পর এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি
নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর দেশের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে নিজেদের আন্দোলনের সাফল্য হিসেবে দাবি করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। এবার দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছেন। ছাত্র আন্দোলনে বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এ ঘটনার রাজনৈতিক দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিতে হবে।
এবার অমিত শাহের পদত্যাগ চাইল ‘ককরোচ’
ভারতে প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনে পুলিশি হামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই হয়েছিল বলে অভিযোগ করছেন ‘ককরোচ জনতা পার্ট সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগও দাবি করেন তিনি। দীপকে বলেন, ‘ছাত্রদের উপর যে ভাবে আক্রমণ হয়েছে এবং আন্দোলনকারীদের রক্ত ঝরেছে, তা অমিত শাহের নির্দেশ ছাড়া হতে পারে না।’
‘ককরোচ’ বিক্ষোভ ঠেকাতে দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ
‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) চলমান আন্দোলনের জেরে ভারতের রাজধানী দিল্লির ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
অমিত শাহ ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি পার্লামেন্ট চত্বরে বিক্ষোভ
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভের পর এবার ভারতের পার্লামেন্ট চত্বরে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন কংগ্রেস ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
















