বেসেন্ট বলেন, ইরান থেকে বিদেশগামী বেশিরভাগ বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তার ভাষায়, ‘সম্ভবত ৮০ থেকে ৯০ শতাংশের বেশি ফ্লাইট বন্ধ হয়ে গেছে। জাতিসংঘে থাকা ইরানি প্রতিনিধিরা কীভাবে দেশে ফিরবেন, তা আমি নিশ্চিত নই।’
ইরানের তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার খবর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বেশিরভাগ ট্যাংকার স্বাভাবিকভাবেই চলাচল করছে।’
ইরানের অর্থায়নকারীদেরও সতর্ক করে বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন এবং প্রতি সপ্তাহে আপনাদের কোম্পানি ও ব্যাংক হিসাবের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব।’
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মূল লক্ষ্য কী—এমন প্রশ্নে বেসেন্ট বলেন,‘এর তিনটি সম্ভাব্য ফল—প্রথমত, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন তৈরি হওয়া। বিতীয়ত, ইরানের জনগণের মধ্যে কোনো ধরনের গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি হওয়া। তৃতীয়ত, ইরান চুক্তিতে যেতে চাইলে তাদের সেই চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য করা যেতে পারে।’
এনএইচ





