আফগানিস্তানে নারী নির্যাতন বিরোধী নতুন একটি আইন হতে যাচ্ছে৷ প্রথমে শুনে খবরটা আনন্দের মনে হলেও, আসলে হতে যাচ্ছে উল্টোটাই৷ আইনটি অনুমোদন হলে আফগান নারীরা কিন্তু আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিতই হবেন৷
নতুন এই আইনটির কথা মঙ্গলবার জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ৷ সেখানে বলা হয়েছে, এই আইনটি অনুমোদন হলে হয়রানির প্রতিরোধে আইনি সহায়তা থেকে একরকম বঞ্চিত হবেন নারীরা৷ এরই মধ্যে পার্লামেন্টে উচ্চ ও নিম্ন কক্ষে আইনের খসড়াটি পাস হয়েছে৷ তবে আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এতে সই না করায় খসড়াটি এখনও আইনে পরিণত হয়নি৷ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই অবশ্য এটি প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো হবে৷
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391584246.jpg[/img]
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, নতুন এই আইন কার্যকর হলে সম্ভাব্য অপরাধী এবং নির্যাতনের শিকার কোনো নারীর আত্মীয়কে আইনজীবীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন না৷ অর্থাৎ পারিবারিক নির্যাতনের শিকার নারী, যাকে শিশু বয়সে বিয়ে দেয়া হচ্ছে বা হয়েছে, বা যার ওপর নির্যাতন করা হয়েছে, তার পরিবারের সদস্যদের সামনে ঘটনাটি ঘটলেও তারা সাক্ষ্য দিতে পারবেন না৷
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391583950.jpg[/img]
এর ফলে নির্যাতিতের পক্ষে যারা লড়বেন তাদের জন্য আইনি প্রক্রিয়াটা ভীষণ জটিল হয়ে দাঁড়াবে৷ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস সম্ভাব্য এই আইনের একটা অন্য জটিলতাও তুলে ধরেছেন৷ তিনি জানান, এটা যদি আইনে পরিণত হয়, তবে আত্মীয়দের দ্বারা নিগৃহীত নারীরা আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবেন৷ কেননা এমন অনেক আত্মীয় আছেন, যারা কেবল নির্যাতনই নয় নারীদের পাচার ও বিক্রির সঙ্গেও জড়িত ৷
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391584000.jpg[/img]
নিউ ইয়র্কভিত্তিক এই সংস্থাটি জানায়, আফগানিস্তানে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা নির্মূল বা ইভিএডাব্লিউ-এর যে আইনটি রয়েছে, নতুন আইনটি আসলে তার বিরুদ্ধে যাবে৷ ২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই কট্টরপন্থি ইসলামি নেতা এবং রাজনীতিবিদদের বিরোধিতা সত্ত্বেও ওই আইনটি অনুমোদন করেন৷ আইনটিতে নারী নিগ্রহ, যেমন ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন, বাল্য বিবাহ, জোরপূর্বক বিয়েসহ ২২টি বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল৷
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391584030.JPG[/img]
এদিকে, মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, কারজাই তার সরকারের সাঙ্গে তালেবান জঙ্গিদের শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের জন্য গোপনে বৈঠক করেছেন৷ তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কারজাইয়ের মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি৷ তবে মুখপাত্র এটুকু জানিয়েছেন, গত দু'মাস ধরে দু'পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে, যা ইতিবাচক৷
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী এপ্রিলের নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই কারজাই দেশের নানা আইন ও বিভিন্ন পদক্ষেপে পরিবর্তন আনছেন৷ এ কারণেই হয়ত তালেবানের সঙ্গে আলোচনা এবং তার ফলস্বরূপ নারী নির্যাতন বিরোধী আইনে এই পরিবর্তন৷সূত্র: রয়টার্স
[b]ঢাকা, ৫ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//ইএইচ[/b]
রাজনীতির জাঁতাকলে আফগান নারীরা
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, নতুন এই আইন কার্যকর হলে সম্ভাব্য অপরাধী এবং নির্যাতনের শিকার কোনো নারীর আত্মীয়কে আইনজীবীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন না৷ অর্থাৎ পারিবারিক নির্যাতনের শিকার নারী, যাকে শিশু বয়সে বিয়ে দেয়া হচ্ছে বা হয়েছে, বা যার ওপর নির্যাতন করা হয়েছে, তার পরিবারের সদস্যদের সামনে ঘটনাটি ঘটলেও তারা সাক্ষ্য দিতে পারবেন না৷
টিআইবি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রে জিম্মি
জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের এক বছর পরও রাষ্ট্র সংস্কারের কাঙ্ক্ষিত ভিত্তি তৈরি হয়নি বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’ নেহা বোরার মন্তব্যে উত্তপ্ত ভারতের রাজনীতি
বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ভারতীয় তরুণদের পথ দেখিয়েছে—অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরার এমন মন্তব্য ঘিরে ভারতের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ওপর ক্ষোপ প্রকাশ করেছে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
জহির উদ্দিন স্বপন এমপি নৈরাজ্যের রাজনীতির বদলে আমরা কার্যকর সংসদ তৈরি করেছি
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এমপি জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘রাজপথের নৈরাজ্যের রাজনীতির বদলে আমরা একটা কার্যকর জাতীয় সংসদ তৈরি করেছি। যেখানে বিরোধী দল সরকারি দলকে সমালোচনা করার অবাধ সুযোগ পাচ্ছে এবং অধিকার পাচ্ছে। তারা প্রতিদিন ভুল ত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতাসহ সরকারকে ন্যায্য-অন্যায্য সমালোচনা করেই চলছে। অতএব মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি রাজনৈতিক এই সংস্কারের কাজেও আমাদের নেতা হাত দিয়েছেন এবং জাতীয় সংসদকে তিনি কার্যকর করেছেন। ’
ভালো ও সৎ মানুষকে রাজনীতিতে আসার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে টেকসই করতে যোগ্য, মেধাবী ও সৎ মানুষকে রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান।
রাজনীতির পাশাপাশি আখিরাতের মুক্তির কাজও করতে হবে: আজহার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেছেন, শুধু দল ক্ষমতায় গেলেই হবে না, ব্যক্তির বিজয়ও নিশ্চিত করতে হবে। দলের বিজয় হতে পারে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্জন, আর ব্যক্তির বিজয় হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভ। তাই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে আখিরাতের মুক্তির জন্য কাজ করে যেতে হবে।
















