মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য হলেই শান্তিরক্ষা অথবা মানবিক মিশনে ফিলিস্তিনে মালয়েশীয় সৈন্য মোতায়েন করা সম্ভব।

তিনি বলেন, ঐকমত্য ছাড়া মালেশিয়ার শান্তিরক্ষী অথবা মানবিক সহায়তা বহনকারী উড়োজাহাজ মাটিতে নামার অনুমতি পাবে না।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মালয়েশিয়ার কয়েকটি দল দাবি করছে, আমরা আমাদের সামরিক বাহিনী পাঠাতে অস্বীকার করেছি। আমাদের সামরিক নেতারাও বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, এটি সহজ সিদ্ধান্ত নয়। আশা করবো, আরও ভালো বোঝাপড়া হবে। মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।

বক্তব্যে ইসরায়েলিদের হাতে নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তার জন্য মালয়েশিয়ার সবাইকে প্রার্থনা করার এবং মুসলিম উম্মাহকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ইব্রাহিম।

আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী। সেখানে অন্যান্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, আমি আসিয়ান এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে আগামী বৃহস্পতিবার রিয়াদ রওয়ানা হবো। তবে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান আমার সফর শনিবার পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ করেছেন।

তিনি বলেন, সেখানে আমি সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, তুরস্কের মতো পক্ষগুলোর সঙ্গে (সংঘাত নিয়ে) আরেকটি আলোচনায় বসবো। সূত্র: আল-জাজিরা, মালয় মেইল

এমআই