গত সোমবার সংসদীয় দলের বৈঠকে কয়েকজন আইনপ্রণেতা সরকারের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে তাদের আস্থায় নেওয়ার দাবি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার প্রাদেশিক পরিষদের সংসদীয় দলের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় প্রাদেশিক আইনপ্রণেতাদের যুক্ত করতে সম্মত হয়েছেন পিটিআইয়ের নেতৃত্ব। আলোচনায় সরকারের সঙ্গে সংলাপ পুনরায় শুরু করা হবে, নাকি প্রতিবাদের কৌশল নেওয়া হবে সে বিষয়ে তাদের মতামত চাওয়া হবে।

কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনা ও আন্দোলনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব দলটির রাজনৈতিক ও কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবর্তে পুরোপুরি সংসদীয় দলের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা পিটিআইয়ের কয়েকজন আইনপ্রণেতা এ ব্যাখ্যার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন। তাদের ভাষ্য, পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও প্রতিবাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মাহমুদ খান আচাকজাই ও আল্লামা রাজা নাসির আব্বাসকে।

আচাকজাই জাতীয় পরিষদে এবং আব্বাস সিনেটে বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করছেন।

পিটিআইয়ের আইনপ্রণেতারা বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে দলটির রাজনৈতিক ও কেন্দ্রীয় কমিটির নিজ নিজ ভূমিকা বহাল রয়েছে। ইমরান খানের অনুমোদন ছাড়া বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।

তাদের মতে, প্রাদেশিক সংসদীয় দলের এখতিয়ার মূলত সংসদীয় কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তবে সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়ায় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রাদেশিক পরিষদের কয়েকজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছে দলটি।

সূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

এমএম