ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইভানা ট্রাম্পের বিবাহ বিচ্ছেদ হয় ১৯৯২ সালে। এরপর ইভানা ডেটিং রিয়েলিটি শো উপস্থাপনা ও তালাকপ্রাপ্ত নারীদের জন্য বই লেখায় মনোনিবেশ করেন। তিনি ১৯৯৬ সালে ‘দ্য ফার্স্ট ওয়াইভস ক্লাব’ নামের অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, পাগল হইও না, সবকিছু ভোগ কর।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর এখন তিনি তার নামের সঙ্গে আরও একটি উপাধি যোগ করতে চাচ্ছেন। তিনি চেক প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত হতে চান। ১৯৪৯ সালে এই দেশে জন্মেছিলেন ইভানা। তখন অবশ্য দেশটির নাম ছিল চেকোস্লোভাকিয়া। পরে নব্বইয়ের দশকে দেশটি ভেঙে স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র নাম ধারণ করে।

৬৭ বছর বয়সী ইভানা নিউইয়র্ক পোস্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তার নিজ দেশে তাকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন ট্রাম্প। তিনি চেক ভাষায় কথা বলতে পারেন এবং সে দেশটিও তার খুব জানাশোনা।

ইভানা বলেন, ‘আমি তিনটি বই লিখেছি যা ৪০টি দেশে ২৫টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। আমি নিজ নামেই পরিচিত। আমার নামের সঙ্গে ট্রাম্প নাম যোগ করার দরকার নেই।’
ট্রাম্প ইতিমধ্যেই তার ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার টিমে তার পরিবারের চার সদস্য- কন্যা ইভাঙ্কা, পুত্র এরিক ও ডোনাল্ড জুনিয়র এবং জামাতা লেয়ার্ড কুশনারকে স্থান দিয়েছেন। মন্ত্রিসভায়ও তার পরিবারের সদস্যরাও থাকতে পারেন বলে জল্পন-কল্পনা চলছে। এখন সাবেক স্ত্রীর আবদার তিনি রাখবেন কিনা সেটাই দেখার বিষয়।

জারিফ