বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রতিনিধি পরিষদে বিলটির ওপর ভোটাভুটি হয়। মোট ৪৩৫ সদস্যের মধ্যে ২৬২ জন বিলটির পক্ষে এবং ১৫৯ জন বিপক্ষে ভোট দেন। এর আগে বিলটি মার্কিন সিনেটেও অনুমোদিত হয়েছিল। প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়ার পর এখন এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্য হোয়াইট হাউসে যাবে।
বিলটিতে রাশিয়ার জ্বালানি খাত, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যাংক ও নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনে ব্যবহৃত ‘শ্যাডো ফ্লিট’-এর বিরুদ্ধেও বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা আরও কয়েক বছর বাড়ানোর বিধানও রয়েছে।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা দেশগুলোর ওপর শূন্যের বেশি থেকে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে বিল পাস হওয়া মাত্রই ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হচ্ছে না; প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের পর সংশ্লিষ্ট দেশ ও শুল্কের হার নির্ধারণের প্রক্রিয়া এগোবে।
বিলটির নামকরণ করা হয়েছে প্রয়াত মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের নামে। রাশিয়ার জ্বালানি বাণিজ্যের ওপর চাপ বাড়ানো এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা আরও শক্তিশালী করাই এর অন্যতম লক্ষ্য।
ভারত রাশিয়ার অন্যতম বড় তেল ক্রেতা হওয়ায় নতুন আইনের সম্ভাব্য প্রয়োগের বিষয়ে দেশটির ওপর বিশেষ নজর রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভারতের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হবে কি না এবং হলে কত শতাংশ হবে, তা পরবর্তী মার্কিন নির্বাহী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
এনএইচ





