বিক্ষোভ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে বিক্ষোভ ও স্লোগান দিতে দেখা গেছে। কিছু ভিডিওতে জানালার কাচ ও ফুলের টব ভাঙচুরের দৃশ্য দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবনের কিছু অংশ ও বিভিন্ন জিনিসপত্রে আগুন জ্বলতেও দেখা গেছে। ক্যাম্পাসের কয়েকটি দোকানেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, রাত প্রায় ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হোস্টেলের কাছে বিক্ষোভ শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের জি–৩ হোস্টেলে থাকা এক ছাত্রীকে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এক বহিরাগত ব্যক্তি ধর্ষণ করেন। তাদের দাবি, ওই ঘটনায় একজন প্লাম্বার বা নির্মাণকর্মী জড়িত ছিলেন এবং বিষয়টি হোস্টেল ওয়ার্ডেনকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযোগটিকে গুজব হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ওই ছাত্রীর বক্তব্যের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ তদন্তে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। পুলিশ সুপার (ফাগওয়ারা) মেজর সিংয়ের নেতৃত্বে দলটি তদন্ত করবে বলে জানিয়েছেন ডিআইজি।

এস