মালয়েশিয়ার নিখোঁজ হয়ে যাওয়া বিমানটিতে আসলে কী ঘটেছিল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শনিবার ভোররাতে ক্রুসহ ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে ভিয়েতনামের উপকূলে নিখোঁজ হয়ে যায় মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমানটি। বিমানটি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে চীনের রাজধানী বেইজিং যাচ্ছিল। খবর বিবিসি ও এনডিটিভির।
বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার সম্ভাব্য সব কারণগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সাধারণত যান্ত্রিক ত্রুটি, পাইলটের ভুল বা বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিমান দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। কিন্তু বিমানটিতে থাকা ২৩৯ জনের মধ্যে দুজন যাত্রী ছিলেন যাদের পাসপোর্ট ছিল ভূয়া। এই ঘটনায় নতুন করে ভাবনা শুরু হয়েছে তদন্তকারী দলের। 'সন্ত্রাসী' হামলার মতো ঘটনা ঘটেছে কি না তা এখন ভাবতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। তবে, এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে কিছুই জানা যায়নি। সময়ই হয়তো বলে দিবে প্রকৃত ঘটনা।
রোববার সকাল পর্যন্ত বিমানটির কোন হদিস পাওয়া যায়নি। তবে, ভিয়েতনাম উপকূলের কাছে দক্ষিণ চীন সাগরে ১২ মাইল দীর্ঘ বিমানের জ্বালানি ভেসে থাকার একটি চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর সূত্র ধরেও বিমানের কোন হদিস পাচ্ছে না উদ্ধারকারীরা।
এদিকে, মালয়েশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী আজিজ বিন কাপরাউই জানিয়েছেন, 'বোয়িং ৭৭৭-২০০' বিমানটি হারিয়ে যাওয়ার আগে কোন বিপদ সংকেত পাঠায়নি। খারাপ আবহাওয়ারও কোন সংকেত ছিল না। রাডার থেকে হারিয়ে যাওয়ার সময় বিমানটি ৩৫ হাজার ফুট উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল।
এদিকে, ইতালি ও অস্ট্রিয়ার একজন করে নাগরিকের পাসপোর্ট চুরি যাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে দেশ দুটি। ওই দুই ব্যক্তির নামের সাথে মিল রেখে অন্যান্য পরিচয় সংশোধন করে পাসপোর্ট দুটি ব্যবহার করে দুর্ঘটনা কবলিত বিমানের দুই যাত্রী।
এদিকে, মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছেন। দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাব্য সবগুলো কারণই তারা বিবেচনায় রাখছেন। অর্থ্যাৎ, বাদ যাচ্ছে না সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কাও।
মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী আহমদ জাওহারি ইয়াহিয়া বলেন, "কোন আশঙ্কাকেই আমরা বাদ দিচ্ছি না।"
তবে, মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানটিতে বিস্ফোরণের মতো কোন কিছু ঘটেনি। উল্লেখ্য, পৃথিবীর কোথাও বিস্ফোরণ ঘটলে তা মার্কিন গোয়েন্দা নজরদারিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধরা পড়ে।
বিমানের যাত্রী ও ক্রুদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে, সবাই নিহত হয়েছেন বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদি সবাই নিহত হয়ে থাকেন তবে এটিই হবে ২০০১ সালের পর যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি নিহতের ঘটনা। ২০০১ সালের ১২ নভেম্বর আমেরিকান এয়ারলাইন্সের এয়ারবাস কোম্পানির একটি যাত্রীবাহী বিমান কেনেডি বিমানবন্দর থেকে ডমিনিকান রিপাবলিকানে রওনা দেয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিধ্বস্ত হয়।
এদিকে, ইতালি ও অস্ট্রিয়ার কর্তৃপক্ষ অবাক হয়েছে এজন্য যে, চুরি করা পাসপোর্ট নিয়ে কীভাবে ওই দুই ব্যক্তি কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে প্রবেশ করলো। কেননা, চুরি করা পাসপোর্ট বা ভূয়া পাসপোর্ট নিয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশ করার সাথে সাথে গোয়েন্দা কম্পিউটারে সতর্কবার্তা ভেসে উঠে। সূত্র: বিবিসি ও এনডিটিভি
[b]ঢাকা, ৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ
[/b]
'সন্ত্রাসী' হামলায় নিখোঁজ মালয়েশিয়ার বিমান?
মালয়েশিয়ার নিখোঁজ হয়ে যাওয়া বিমানটিতে আসলে কী ঘটেছিল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শনিবার ভোররাতে ক্রুসহ ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে ভিয়েতনামের উপকূলে নিখোঁজ হয়ে যায় মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমানটি। বিমানটি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে চীনের রাজধানী বেইজিং যাচ্ছিল
আ.লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, সন্ত্রাসীদের ক্লাব : গোলাম পরওয়ার
আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিবাদীদের ক্লাব আখ্যা দিয়ে দলটির রাজনীতি করার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার।
আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে : চিফ হুইপ
রাজধানী ঢাকায় অটোরিকশার বেপরোয়া চলাচল বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। এ প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগের পতিত সরকারের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হবে
চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলমান এবং তা আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
পাকিস্তানের সেনা অভিযানে ভারতীয় মদতপুষ্ট ৭১ সন্ত্রাসী নিহত
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে গত তিন দিনে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৭১ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
গোলাম পরওয়ার জনগণের সম্পদ দখলে নিতে মরিয়া বিএনপি সন্ত্রাসীরা
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরমভাবে ভেঙে পড়েছে। বিএনপির সন্ত্রাসীরা দখলবাজি ও চাঁদাবাজি করতে গিয়ে জনগণের সেবায় নিয়োজিত স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও হাসপাতালে হামলা চালাচ্ছে। তারা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে জনগণের সম্পদকে দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে, যা ফ্যাসিবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ।
















