বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) আওতাধীন মিরপুর এলাকায় ৩২০টি কারখানার মধ্যে ৬৮টির শ্রমিকেরা কাজ না করে বেরিয়ে যান। এ এলাকায় কর্মবিরতি পালনকারী শ্রমিকের সংখ্যা ৫১ হাজার ৬২৫ জন।
গাজীপুর ও ময়মনসিংহ শিল্পাঞ্চলে ৮৩৬টি কারখানার মধ্যে ২৭৬টির শ্রমিকেরা কর্মবিরতি পালন করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যান। এ দুই এলাকায় এমন শ্রমিকের সংখ্যা ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৩৬০ জন।
অন্যদিকে সাভার, আশুলিয়া ও জিরানী এলাকায় ৪৪১টি কারখানার মধ্যে ১৮৫টির শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে বেরিয়ে যান। এ অঞ্চলে কর্মবিরতি পালনকারী শ্রমিকের সংখ্যা ২ লাখ ৯০ হাজার ২০৫ জন।
এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের ১৯৭টি এবং চট্টগ্রামের ৩৪০টি পোশাক কারখানার তথ্যও দিয়েছে বিজিএমইএ। তবে এসব এলাকার কতজন শ্রমিক কাজ বন্ধ করে কারখানা থেকে বেরিয়ে গেছেন, তা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
বিজিএমইএর সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, পাঁচটি শিল্পাঞ্চলের মোট ২ হাজার ১৩৪টি কারখানার মধ্যে শ্রমিক অসন্তোষের কারণে ৫২৯টিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়। বাকি ১ হাজার ৮১৬টি কারখানা চালু ছিল বলে জানানো হয়েছে।
শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ এবং কালো তালিকাভুক্তির প্রতিবাদসহ বিভিন্ন দাবিতে সাম্প্রতিক সময়ে পোশাকশিল্পের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন চলছে। এর প্রভাবে একাধিক শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
এস















