বুধবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মত দেন।
অধ্যাপক কামেলের ভাষ্য, কয়েক বছর আগের তুলনায় সৌদি আরবের ওপর হুথিদের নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে আরও শক্তিশালী হয়েছে। এর পেছনে বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপর গোষ্ঠীটির নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরানের প্রভাবের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। তাঁর মতে, ইরান বিশ্ববাজারকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে।
কামেলের দাবি, এ ধরনের পরিস্থিতিতে ইরান এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে, যার মাধ্যমে আঞ্চলিক বাস্তবতায় বড় ধরনের প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, নিজেদের শাসনব্যবস্থা সুসংহত করা এবং সৌদি আরবের কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে হুথিরা বিদ্যমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে যাচ্ছে।
সৌদি আরবের সামরিক ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর দীর্ঘদিনের নির্ভরতার কথাও উল্লেখ করেন অধ্যাপক কামেল। তাঁর মতে, এই নির্ভরতার কারণে বর্তমান পরিস্থিতিতে রিয়াদকে এর ‘মাশুল গুনতে হচ্ছে’।
অধ্যাপক কামেল আরও বলেন, ওয়াশিংটন আপাতত ইয়েমেন সংঘাতে সরাসরি জড়াতে চাচ্ছে না। একই সঙ্গে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মিশর সফর থেকেও প্রত্যাশিত সমর্থন পাওয়া কঠিন হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। কারণ, তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কায়রো দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে কাজ করে আসছে।
এস





