পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ বলেছেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক আপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দেয়া জামায়াতে ইসলামী নেতাদের ফাঁসিসহ অন্যান্য দণ্ডাদেশ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে পর্যবেক্ষণ করবে পাকিস্তান।
বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে প্রধানমন্ত্রী ভবনে জামায়াতে ইসলামীর ডেপুটি আমির খুরশিদ আহমাদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি উত্থাপন করলে তিনি এ আশ্বাস দেন। বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী খাজা সাদ রফিক উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার পাকিস্তানের ‘দি নিউজ’ পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
প্রতিনিধিদলকে নওয়াজ শরিফ বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে জামায়াত নেতারা প্রধানমন্ত্রী নওয়াজের হাতে পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পাদিত ১৯৭৪ সালের একটি চুক্তির নথি হস্তান্তর করেন। সেখানে তিন দেশ ১৯৭১ সালের যুদ্ধের কদর্য দিক ভুলে যেতে ও ক্ষমা করে দিতে রাজি বলে উল্লেখ রয়েছে।
তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের স্বাক্ষরিত ওই চুক্তি অনুসারে যুদ্ধের কোনো ঘটনায় কোনো আইনি বা শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া যাবে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
[b]ঢাকা, ১ ফেব্রুয়ারি,(টাইমনিউজবিডি)//এসএইচ[/b]
আন্তর্জাতিক আপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় পর্যবেক্ষণ করবে পাকিস্তান
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ বলেছেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক আপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দেয়া জামায়াতে ইসলামী
পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের সঙ্গে ইরানের বৈঠক শুরু
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা’ জোটের তিন সদস্যদেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিয়েছেন।
সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রশমিত করা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ‘মক্কা জোটের’ তিন সদস্য- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান।
ক্ষুধা মোকাবিলায় ভারত পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণকে বাংলাদেশের এই অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বিপরীতে, খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, শিশুদের অপুষ্টি, সীমিত কর্মসংস্থান এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ পাকিস্তানের ক্ষুধা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
তুরস্ক-পাকিস্তান-কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং সামরিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে চুক্তি সই করেছে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া। দেশগুলোর মধ্যে সামরিক মহড়া, প্রশিক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নে যৌথ সহযোগিতার পথ আরও সুগম করাই এ চুক্তির লক্ষ্য।
পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জরুরি: মার্কো রুবিও
মতপার্থক্য থাকলেও পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা ওয়াশিংটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
















