সোমবার (২ নভেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ওবায়দুল্লাহ আল মামুন সাকিব।

এর আগে গ্রাহকদের কাছ থেকে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বেচ্ছাচারী ও অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ নেওয়া কেন অবৈধ, অসাংবিধানিক ও আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে দরিদ্র ও ব্যাংকিং সেবাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তিসংগত ও সাশ্রয়ী এমএফএস চার্জ নির্ধারণ এবং ভোক্তা সুরক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কেন একটি স্বতন্ত্র মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন প্রণয়ন করা হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেছিলেন। অর্থসচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

উল্লেখ্য, আইনজীবী ওবায়দুল্লাহ আল মামুন সাকিব নিজেই অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন।

এস