পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে অন্তত ১৩ জন বন্দুকধারী নিহত হয়েছে। নিহত বন্দুকধারীরা তেহরিক-ই-পাকিস্তান (টিটিপি) অর্থ্যাৎ পাকিস্তান তালেবানের সদস্য বলে জানিয়েছে করাচি পুলিশ। খবর আল জাজিরার।
বন্দুকধারীদের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশ জায়গাটি ঘিরে ফেললে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয় তারা। এক পর্যায়ে বন্দুকধারী ১৩ জন নিহত হয় ও একজনকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রশস্ত্র, সুইসাইড জ্যাকেট, বল বিয়ারিংস ও অন্যান্য বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার পেশোয়ারের একটি স্কুলে তালেবানদের নৃশংস হামলায় ১৩২ শিশুসহ ১৪২ জন নিহত হন। পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের ধারণা, আফগান সীমান্তবর্তী খাইবার থেকে এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়। আফগান সীমান্তবর্তী খাইবার ও উত্তর ওয়াজিরিস্তান এলাকায় তালেবানসহ অন্যান্য উগ্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযানের প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেছে পাকিস্তান তালেবান।
স্কুলে হামলার পর থেকে তালেবানসহ অন্যান্য গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে হামলা জোরদার করেছে পাকিস্তান সেনবাহিনী ও পুলিশ। গত মঙ্গলবার থেকে এখন পর্যন্ত উত্তর ওয়াজিরিস্তান, খাইবারসহ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিমান ও স্থল হামলায় দুই শতাধিক বিদ্রোহী নিহত হয়েছে।
এদিকে, ৫৫ জন তালেবানসহ অন্যান্য আটক যোদ্ধার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে খুব শীঘ্রই। উল্লেখ্য, ছয় বছর পর মৃত্যুদণ্ডের উপর থেকে গত সপ্তাহে স্থগিতাদেশ তুলে নেয় পাকিস্তান সরকার। এই ৫৫ জনের মৃত্যুদণ্ড মওকুফের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেসিডেন্ট মামনুন হোসাইন।
এমএ





