কানাডার অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন জিম ফ্লাহেরটি। মন্দাকালীন সময়ে ধসে পড়া থকে দেশটির অর্থনীতিকে শক্ত হাতে ধরে রাখার জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে বেশ পরিচিতি লাভ ছিলেন।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ফ্লাহেরটি জানান, পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং আমি মনে করি এটাই উপযুক্ত সময়।
তিনি বলেন, আমি যা করেছি তার জন্য আমি গর্বিত।
তিনি জানান, সরে দাঁড়ানোর পেছনে স্বাস্থ্যজনিত কিংবা রাজনীতি সম্পর্কিত কোনো কারণ নেই। সরকারি দায়িত্বে থেকে অব্যাহতি নিলেও বেসরকারি খাতে নিজের কাজকর্ম অব্যাহত রাখবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন ফ্লাহেরটি।
দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এই পর্যন্ত তিনি দেশটির নয়টি বাজেট ঘোষণা করছেন। বিশ্বমন্দা কালীন সময়ে তার সাহসী পদক্ষেপের কারণে খাদের কিনারা থেকে ফিরে আসে কানাডার অর্থনীতি। এসময়ে দেশটির তারল্য সংকট এবং বাজেট ঘাটতি মোকাবেলায় তার উদ্যোগ এতটাই সফল ছিল যে অন্যান্য দেশের অর্থমন্ত্রীরাও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠেছিলেন। সূত্র: বিবিসির
ঢাকা, ১৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডিডটকম) // ইএইচ
কানাডার অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ
কানাডার অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন জিম ফ্লাহেরটি। মন্দাকালীন সময়ে ধসে পড়া থকে দেশটির অর্থনীতিকে শক্ত হাতে ধরে রাখার জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে বেশ পরিচিতি লাভ ছিলেন। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ফ্লাহেরটি জানান, পরিবারের
কানাডার সঙ্গেই থাকছে আলবার্টা, ধাক্কা খেলেন ট্রাম্পের মিত্ররা
কানাডা থেকে তেলসমৃদ্ধ আলবার্টা প্রদেশের পৃথক হওয়া সংক্রান্ত গণভোটের ফল প্রকাশ হয়েছে। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, প্রদেশটির অধিকাংশ বাসিন্দা কানাডার সঙ্গেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
কানাডায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন, বহু হতাহতের শঙ্কা
কানাডার আলবার্টা প্রদেশের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুনে বেশ কয়েকজন নিহত ও আহত হয়েছেন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্য নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটে যোগ দিতে কানাডার আবেদন
যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট এক্সপেডিশনারি ফোর্সে (জেইএফ) যোগ দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে কানাডা। বুধবারের এ পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে কানাডার সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের পথ তৈরি হলো।
যেসব অস্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলতে পারে কানাডা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ যতই তীব্র হচ্ছে, ততই সামনে আসছে কানাডার পাল্টা চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা। অর্থনীতির আকারে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক ছোট হলেও জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষিপণ্য ও ভোক্তা বাজারে কানাডার ওপর দেশটির উল্লেখযোগ্য নির্ভরতা রয়েছে। কানাডা তার মোট উৎপাদিত পণ্যের প্রায় ৭০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করে। ফলে শুল্কের পাল্টা শুল্কের বাইরে গিয়েও ওয়াশিংটনের ওপর কৌশলগত চাপ তৈরির সুযোগ রয়েছে অটোয়ার।
কানাডাকে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিভক্ত করতেই মার্কিন শুল্ক : মার্ক কার্নি
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপকে কানাডাকে ‘ক্ষতিগ্রস্ত ও বিভক্ত’ করার পরিকল্পনা বলে মন্তব্য করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপকে ‘ভুল হিসাব’ উল্লেখ করে এর জবাবে সমপরিমাণ পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
















