ইসলামিক স্টেট (আইএস) মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে ইউরোপে বিস্তার লাভ করতে পারে। এটি প্রথমে ইরাক ও সিরিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও ধীরে ধীরে তা অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে। লিবিয়ার অনেক অঞ্চল এখন আইএসের দখলে। এ অবস্থা চলতে থাকলে খুব দ্রুত ইউরোপ মহাদেশে ঢুকে পড়বে আইএস। এমনই আশংকা প্রকাশ করলেন লিবিয়ার সেনাপ্রধান। খবর আল জাজিরার।

আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে লিবিয়ার সেনাবাহিনীকে খুব দ্রুত অস্ত্র ও সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তার আহবান জানান সেনাপ্রধান জেনারেল খলিফা হাফতার। পশ্চিমা দেশগুলো যদি লিবিয়ার সেনাবাহিনীকে সময়মতো এই সহায়তা দিতে না পারে তাহলে আইএস খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে।

জেনারেল হাফতার জানান, লিবিয়ায় ভূমধ্যসাগর উপকূল সংলগ্ন অন্তত দুটি শহর এখন আইএসের নিয়ন্ত্রণে। এ ছাড়া, উপকূলীয় বিশাল এলাকাও তাদের দখলে রয়েছে। সিরিয়া ও ইরাকের পর লিবিয়াতেই বিভিন্ন এলাকা দখলে নিতে সক্ষম হয় আইএস। এর পিছনে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেছে লিবিয়ার অন্তর্দ্বন্দ্ব। লিবিয়ায় ক্ষমতার দখল নিয়ে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত চলছে।

প্রতিবেশী তিউনিশিয়ার রাজধানীর একটি মিউজিয়ামে গত বুধবারের হামলার দিকে ইঙ্গিত করেন হাফতার। ওই হামলায় ২০ জন বিদেশিসহ নিহত হন ২৩ জন। হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস।

হাফতার আরও উল্লেখ করেন, লিবিয়া থেকে আফ্রিকার অবৈধ অভিবাসীরা যেভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাচ্ছে তাতে করে আইএসের সদস্যরাও সেখানে যাওয়ার একটি আশংকা রয়েছে।

লিবিয়ায় এখন ৭ হাজার থেকে সাড়ে ৭ হাজার আইএস যোদ্ধা রয়েছে বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে রয়েছে আফ্রিকা, আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের যোদ্ধা। তাদের অনেকেই সিরিয়ায় মূল আইএসের ঘাঁটিতে প্রশিক্ষিত।

এমএ