বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়ায়ও ঠিক একই ধরনের আইন রয়েছে। আর এ কারণে এটিকে ‘রাশিয়া স্টাইলের’ আইন বলা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, তারা রাশিয়া স্টাইলের কোনো আইন মেনে নেবেন না।
তবে জর্জিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইরাকলি গারিবাসিভি এর পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। তিনি বলেছেন, যারা বিদেশিদের সহায়তা নিয়ে জর্জিয়ার ক্ষতি করতে চায়, এ আইন তাদের মূল উৎপাটন করে দেবে।
তবে দেশটির সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ঘিয়া নদিয়া বলেছেন, আইনটি করা হচ্ছে মূলত স্বাধীন সংবাদমাধ্যমগুলোকে চেপে ধরার জন্য। কারণ জর্জিয়ায় যেসব স্বাধীন সংবাদমাধ্যম আছে, সেগুলোর বেশিরভাগই বাইরের দেশের অর্থায়নে চলে।
দেশটির সংসদের সামনে বুধবার বড় ধরনের বিক্ষোভ শুরু হয়। এদিন রাজধানী তিবলিসে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন অনেকে। বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ একটি ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেছিল। এরপর তাদের ওপর চড়াও হন আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া বিক্ষোভকারীরা ‘রাশিয়ান আইন নয়’ বলে স্লোগান দেন।
জর্জিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় দাবি করেছে, সংসদ ভবনে আঁতশবাজি এবং মোলোটভ ককটেল দিয়ে হামলা চালিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। এতে অন্তত ৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
সাধারণ মানুষ এ আইনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন, কারণ এটি জর্জিয়ার ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার পথ কঠিন করে দেবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, নতুন ‘বিদেশি এজেন্ট’ আইন তাদের নীতির পরিপন্থি। সূত্র: আল জাজিরা
এমআই





