হলুদের উপকারিতা পেতে চাইলে এটি প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় যোগ করতে হবে। সাপ্লিমেন্ট বা পিল তাজা হলুদের মতো উপকারী নয়। হলুদ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন পানীয় পানের মাধ্যমে সহজেই আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে পারবেন। জেনে নিন-
হলুদ ও জোয়ানের পানীয়
এই সহজ পানীয়টি তৈরির জন্য এক চা চামচ জোয়ান নিয়ে এক গ্লাস খাবার পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন এর সঙ্গে এক চা চামচ হলুদ মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। এরপর নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হলে পরিষ্কার ছাকনিতে ছেঁকে নিন। এবার পান করুন। এই পানীয় একসঙ্গে অনেকগুলো অসুখ দূরে রাখতে কাজ করবে।
গোল্ডেন মিল্ক
অসুখ-বিসুখ দূরে রাখতে এই পানীয় পানের ইতিহাস বেশ পুরোনো। এটি তৈরির জন্য প্রথমে দুধ ফুটিয়ে নিন। এবার তার সঙ্গে মেশান পরিমাণমতো হলুদ, দারুচিনি গুঁড়া ও গোল মরিচ। মিষ্টি খেতে চাইলে সামান্য চিনি, মধু বা গুড় মিশিয়ে নিতে পারেন। হালকা গরম অবস্থায় পান করুন। উপকার পাবেন।
কমলা ও আদার ডিটক্স ড্রিংক
শরীর থেকে দূষিত পদার্থ দূর করতে চাইলে পান করতে পারেন এই পানীয়। একটি বড় গাজরের রস বের করে নিন। এর সঙ্গে মেশান হলুদ ও কমলার রস। এর সঙ্গে মেশান আদা কুচি। স্বাদ বাড়াতে চাইলে এর সঙ্গে যোগ করুন সামান্য লেবুর রস। এবার পান করুন। নিয়মিত এই পানীয় পান করলে মিলবে অনেক উপকারিতা।
হলুদ ও নারিকেল দুধ
নারিকেল দুধ, মধু, দারুচিনির গুঁড়া ও সামান্য হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। চাইলে এর সঙ্গে যোগ করতে পারেন সামান্য আদার গুঁড়া। এই পানীয় খেতে সুস্বাদু এবং সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যকরও। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চাইলে তৈরি করে খেতে পারেন এই পানীয়।
হলুদ, কমলা ও দইয়ের পানীয়
কমলার রস আরও বেশি স্বাস্থ্যকর করতে চাইলে এর সঙ্গে যোগ করতে পারেন হলুদ ও দই ও ঠান্ডা কলা। বেশি স্বাদের জন্য যোগ করতে পারেন দারুচিনির গুঁড়া। মিষ্টি স্বাদের জন্য মধু বা গুঁড় মেশাতে পারেন। সেইসঙ্গে আখরোটও ব্লেন্ড করে মেশাতে পারেন। এতে ঘনত্ব আরও সুন্দর হবে।
এমআই





