সাধারণত উৎপাদনহীন ও উৎপাদনশীল এই দু’ধরনের কাশি হয়ে থাকে। উৎপাদনহীন কাশি সাধারণত শুকনো হয়। খুসখুসে কাশির সঙ্গে কফ বা শ্লেষ্মা হয় না।

শুকনো কাশি ফ্লু বা সর্দির কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে থাকে, যা বেশ কষ্টকর। ধোঁয়া, ধূলিকণা, দূষণ, পরাগ ও অন্যান্য অ্যালার্জি ও পরিবেশগত কারণে খুসখুসে কাশি হতে পারে। হাঁপানি, নিউমোনিয়া, সাইনোসাইটিস, যক্ষ্মা, গ্যাস্ট্রো-এসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিইআরডি) সহ ফুসফুসের বিভিন্ন রোগের কারণও শুকনো কাশি হতে পারে।

এ সময় আপনি যদি খুসখুসে বা শুষ্ক কাশিতে ভোগেন, তাহলে প্রথমদিকে ঘরে থাকা ভেষজ উপকরণ ব্যবহার করে তা সারিয়ে তোলার চেষ্টা করতে পারেন।

উপায়-

(১) আদা :

আদায় থাকে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও বিভিন্ন প্রদাহ কমায়। শুকনো কাশি দূর করতে নিয়মিত পান করতে পারেন আদা চা।

এছাড়া আধা চা চামচ আদার গুঁড়া এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে দৈনিক অন্তত ৩ বার পান করতে পারেন।

(২) গরম পানির ভাঁপ :

খুসখুসে কাশির সমস্যা কমাতে নিয়মিত গরম পানির নিতে পারেন। ফলে গলার শুকনোভাব কমবে পাশিপাশি গলাব্যথা ও কাশির তীব্রতাও কমবে।

গরম পানিতে সামান্য টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে ভাঁপ নিলে আরও ভালো ফল পাবেন। প্রতিবার অন্তত পাঁচ মিনিটের জন্য ভাঁপ নিন। এছাড়া স্টিম বাথও নিতে পারেন।

(৩) লবণ পানি গার্গল :

গলাব্যথা কিংবা কাশির সমস্যা সমাধানে লবণ পানির গার্গল করারও পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। লবণাক্ত পানি গ্রহণের ফলে গলার খুসখুসে ভাব কমে আসে। এজন্য এক গ্লাস গরম পানিতে আধা টেবিল চামচ লবণ মিশিয়ে গার্গল করুন।

ঘরোয়া প্রতিকার গ্রহণের পরেও যদি কাশি না কমে; তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষত, যদি সর্দি-কাশির পাশাপাশি উচ্চমাত্রায় জ্বর থাকে।

এন