এমনকি রিলসে মাঝে মধ্যেই পেটের সমস্যা সমাধানে প্রেবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাবার নিয়ে কথা বলতে দেখা যায়।
এমনটও দেখা যায়, অনেক চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরাও প্রোবয়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাবার খাবার খাওয়ার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু এ ধরনে খাবার মূলত কী, কীভাবে কাজ করে―তা কি জানা আছে আমোদের? সম্প্রতি এ ব্যাপারে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন পুষ্টিবিদ ঈশানী গঙ্গোপাধ্যা।
এ পুষ্টিবিদ বলেন, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক একদমই আলাদা। দুটির ধরন আলাদা এবং এর কাজও প্রায় আলাদা। তবে দুটিই স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।
প্রোবায়োটিক কী: প্রোবায়োটিক হচ্ছে শরীরে প্রয়োজনীয় ভালো ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এটি। ফার্মেন্টেড খাবার থেকে প্রোবায়োটিক মিলে। যা পেটকে ঠান্ডা রাখে। সাধারণত টক দই, ইডলি, ধোসা, কিমচির (কোরিয়ান আচার) মতো ফার্মেন্টেড খাবার থেকে প্রোবায়োটিক উপাদান পাওয়া যায়।
প্রিবায়োটিক কী: প্রোবায়োটিকের থেকে একদমই আলাদা প্রিবায়োটিক। যা ডায়েটরি ফাইবার। এটিও পাচনতন্ত্র ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উপযোগী। যা সাধারণত গ্যাসট্রিক-অ্যাসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ওবেসিটির মতো সমস্যা থেকে মুক্তিতে সহায়তা করে। পেঁয়াজ, রসুন, কলা ও ওটসের মতো খাবার থেকে প্রিবায়োটিক উপাদান মিলে।
ডায়েটে কীভাবে প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক রাখবেন: দুটি উপাদানই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় টক দই রাখলে সহজেই শরীরে প্রোবায়োটিকের ঘাটতি পূরণ হবে। যা আপনার পেট ঠান্ডা রাখা ও অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বাড়াতে সহায়তা করে।
এদিকে অনেকেই আবার টক দইয়ের সঙ্গে ওটস মিশিয়ে খান। এভাবে খাওয়া হলে প্রোবায়োটিকের সঙ্গে প্রিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। সম্ভব হলে এর সঙ্গে কলাও যোগ করতে পারেন। আবার পেঁয়াজ, রসুন, ইডলি ও ধোসা খেলেও প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিকের ঘাটতি পূরণ হবে।
এমএম





