বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে তিন মাসের বিশেষ সচেতনতামূলক অভিযান পরিচালনা করা হবে। এতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে যুক্ত করা হবে। বাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও মশার লার্ভা ধ্বংসে কাজ করবে।

ডা. মুহিত বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুহার কমিয়ে আনা। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পুনঃপ্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এ প্রশিক্ষণ অব্যাহত থাকবে।

ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ার সম্ভাব্য সময়ে হাসপাতালে শয্যা, স্যালাইন ও পরীক্ষার কিটের সংকট যাতে না হয়, সে জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। বর্তমান রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় পর্যাপ্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইন মজুত রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যাও চালু করা হয়েছে। রোগীর চাপ বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য শয্যা পুনর্বিন্যাস করে ডেঙ্গু চিকিৎসায় ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে।

বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন হলে এসব হাসপাতালকেও ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো যাবে না এবং হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত শয্যা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

এস