সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, সার্বিকভাবে এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে। বিভিন্ন সভা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোট ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তিনি বক্তব্য দেন, সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেন এবং ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। এ ছাড়া জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গেও বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের ভাষণে শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অভিবাসন, রোহিঙ্গা সংকট ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়।
হুমায়ুন কবির বলেন, অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তুরস্ক ও ইরানের রাষ্ট্রপতি, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ভুটান, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এ ছাড়া কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, অর্থনীতি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সফরে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ও মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এ ছাড়া মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত, ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী, বোয়িং গ্লোবালের প্রধান নির্বাহী এবং ওয়াল স্ট্রিটের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও বৈঠক ও মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশন শেষে দেশে ফেরার উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সফরকালে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, জলবায়ু, রোহিঙ্গা সংকট এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।
এস











