সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশ। প্রথম ১৫ মিনিটে রাকিব হোসেন ও সুকি ইতুফুসার মাধ্যমে কয়েকবার সিঙ্গাপুরের রক্ষণে চাপ তৈরি হয়। তবে আক্রমণগুলো থেকে গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল।
ম্যাচের ৬ মিনিটেই হলুদ কার্ড দেখেন বাংলাদেশের শামিত সোম। এরপর ১৬ মিনিটে পরপর দুটি কর্নার আদায় করে সিঙ্গাপুর। দ্বিতীয় কর্নার থেকে ইলহান ফান্দির নেওয়া প্রচেষ্টা সামলে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ।
৩৩ মিনিটে আবারও বাংলাদেশকে বিপদ থেকে রক্ষা করেন শ্রাবণ। বক্সের বাইরে থেকে সিঙ্গাপুরের নেওয়া ফ্রি-কিক দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন তিনি। পরে বল বিপদমুক্ত করেন তারিক কাজী।
তবে এর দুই মিনিট পরেই পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ৩৫ মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে আবদুল্লাহ নূরের বাড়ানো ক্রসে হেড করেন স্টেয়ার্ট। তাঁর সেই হেডে পরাস্ত হন শ্রাবণ। এগিয়ে যায় সিঙ্গাপুর।
গোল খাওয়ার পর দ্রুত ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগও পেয়েছিল স্বাগতিক দল। ৩৭ মিনিটে ডান দিক থেকে নেওয়া একটি শট বাংলাদেশের ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
প্রথমার্ধে বলের দখলে বাংলাদেশ কিছুটা এগিয়ে থাকলেও প্রতিপক্ষের গোলমুখে কার্যকর হতে পারেনি। প্রথম ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশের কোনো শট লক্ষ্যে ছিল না। বিপরীতে সিঙ্গাপুর পাঁচটি শট নেয়, যার চারটিই ছিল গোলমুখে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোল শোধে মরিয়া হয়ে আক্রমণ বাড়ায় বাংলাদেশ। একের পর এক আক্রমণে সিঙ্গাপুরের রক্ষণে চাপ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি থমাস ডুলির শিষ্যরা।
ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সমতাসূচক গোলের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু সিঙ্গাপুরের রক্ষণ ভেদ করতে না পারায় ১-০ গোলের ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ। দ্বিতীয়ার্ধে সিঙ্গাপুরও আর গোল করতে পারেনি।
দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের ঝুলিতে কোনো পয়েন্ট নেই। ফলে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের শঙ্কা আরও বেড়েছে। এক ম্যাচ খেলে ৩ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়া। সমান ৩ পয়েন্ট করে নিয়ে ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুর রয়েছে পরের দুই অবস্থানে।
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে সেই ম্যাচে পয়েন্ট পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে হবে জামাল ভূঁইয়াদের।
এস











