রোববার (১৮ অক্টোবর) বরগুনার বেতাগী উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, সবাই মিলে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে। সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ক্ষেত্রে তিন বছরের খাজনা দিতে হবে না বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ-সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম আমদানি করলে কোনো কর দিতে হবে না বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের পর কোনো গ্রাহকের কাছে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ থাকলে সরকার তা কিনে নেবে।
নিজের বক্তব্যে নুরুল ইসলাম মণি বলেন, ‘আজকে ২০২৬ সালের ১৮ অক্টোবর। আমি আপনাদের কাছে বলে গেলাম, ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত আল্লাহ যদি বাঁচাইয়া রাখে, আমি এখানে যদি আসি, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বেচার জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে না।’
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে চিফ হুইপ অভিযোগ করেন, ওই সময়ে কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পেছনে দুর্নীতির উদ্দেশ্য ছিল। তাঁর দাবি, যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা ছিল না, সেগুলোও স্থাপন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি না করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে কাজ করবে।
এস











