এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রীয় বরাদ্দে কোনো অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।”

তিনি বলেন, দলমত, ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ বণ্টন করতে হবে। দুর্নীতি, অনিয়ম, দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতি বরদাস্ত করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বে থাকলে রাষ্ট্রীয় বরাদ্দের এক পয়সাও তছরুপ হয় না, হবে না। জনগণের জন্য যা বরাদ্দ হয়, তা জনগণের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন করা হবে। রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ বণ্টনে কোনো ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম, দলীয়করণ, আত্মীয়করণ কিংবা স্বজনপ্রীতি জামায়াত করে না, করতে দেবে না।

রোববার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা-৫ আসনের হিন্দু নারীদের মধ্যে শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের উদ্দেশে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ছাড়া অন্য কোনো দলের কাছে হিন্দুরা নিরাপদ নয়। হিন্দুদের জানমাল যাদের হাতে লুণ্ঠিত হয়েছে, তারাই জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। আজও যারা মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির গডফাদার, তাদের নেতৃত্বে সমাজের মানুষ জুলুমের শিকার হচ্ছে। সংসদের মতোই সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে ইসলামী নেতৃত্ব নির্বাচিত করে জনগণের খেদমত করার সুযোগ দিতে তিনি উপস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের প্রতি আহ্বান জানান।

শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আলী, ৬৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আলী হোসেন ফরাজী, ৬৪ নম্বর ওয়ার্ডের ধার্মিক পাড়া পূজামণ্ডপ কমিটির সভাপতি শ্রী গোপাল চন্দ্র মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রান্তুষ দাস এবং কোনাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আলতাব হোসেন প্রমুখ।