বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় দেওয়া ভাষণের শুরুতেই তিনি জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।

ভাষণে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে বাংলাদেশ বর্তমানে ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত’ হয়েছে—এমন বক্তব্য দেন তিনি। একইসঙ্গে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, জনগণই সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।

জাতিসংঘে এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ। তিনি সম্পূর্ণ বাংলায় ভাষণ দেন। ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়াই সংকটের সমাধান। এ বিষয়ে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতাও চান তিনি।

এ ছাড়া বাংলাদেশকে পুনর্গঠনে সরকারের ‘থ্রি-আর’—রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন—কৌশলের কথাও ভাষণে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

এস