শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) ঢাকা-৫ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। বিএনপি ভোটে না আসার আক্ষেপও আছে ভোটারদের মাঝে।

ঢাকা-৫ আসনের ৬২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার সানোয়ার হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, দেখতেই তো পাচ্ছেন চারিদিকে শুধু নৌকা, ট্রাক, ঈগলের প্রতীক লাগানো। এ দুই প্রার্থীর লোকজন এসে ভোট চাচ্ছেন। মিছিল মিটিং করছেন। অন্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণাও নেই, তাদেরকে চিনিও না।

যাত্রাবাড়ির ভোটার লন্ড্রি ব্যবসায়ী আব্দুল করিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিএনপি ভোট করলে নির্বাচন জমে উঠতো, উৎসবমুখর হতো। বিএনপি না থাকায় নির্বাচন নিয়ে আমার মত অনেকের আগ্রহ নেই।

৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার আওয়ামী সমর্থক সাইফুল ইসলাম কালু বলেন, এখন আমাদের ঘুম নেই। ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নৌকার পক্ষে ভোট চাইবো।

একই ওয়ার্ডের ভোটার ও চা বিক্রেতা রাজিয়া সুলতানা বলেন, সব জায়গায় তো নৌকার পোস্টার দেখি। অন্যদের আমি চিনি না। নৌকাতেই ভোট দেবো।

যাত্রাবাড়ীর ডেমরা রোডের ভাঙ্গা প্রেস সংলগ্ন বাসায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হারুনুর রশিদ মুন্না ঢাকা পোস্টকে বলেন, এখন নির্বাচনী প্রচারণা করতে বের হচ্ছি। চারদিকে প্রচুর সাড়া পাচ্ছি। এ আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হবে।

প্রসঙ্গত, ঢাকা-৫ আসনে ১২ জন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী মশিউর রহমান মোল্লা সজল (ট্রাক), মো. কামরুল হাসান (ঈগল) প্রতীক পেয়েছেন। লটারির মাধ্যমে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হারুনুর রশিদ মুন্না (নৌকা), ইসলামিক ঐক্যফ্রন্টের আবু জাফর মো. হাবিবুল্লাহ (চেয়ার), ন্যাশনালিস্ট ঐক্যফ্রন্টের এস এম লিটন (টেলিভিশন), তৃণমূল বিএনপির মো. আবু হানিফ (সোনালি আঁশ), ইসলামী ঐক্য জোটের আবদুল কায়ুম (মিনার), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আরিফুর রহমান (আম), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মোশাররফ হোসেন মিয়া (একতারা), বাংলাদেশ কংগ্রেসের সাইফুল আলম (ডাব), জাতীয় পার্টির মো. সারওয়ার খান (কাঁঠাল), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের নুরুল আমিন (ছড়ি) প্রতীক পেয়েছেন।

এনএইচ