সোমবার প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ অনুরোধ জানান।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানো এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। শুরুতে হাইকমিশনার উপদেষ্টাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন তারা।
বৈঠকে মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দীর্ঘদিনের প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। দুই দেশের দীর্ঘ সীমান্তের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া বাড়াতে সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা জরুরি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং গঙ্গার পানিতে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্কের পরিবর্তে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন উপদেষ্টা। বর্তমান ভারতীয় হাইকমিশনারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অন্যদিকে দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন। বাংলাদেশি ইলিশের প্রতি ভারতের মানুষের আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
বৈঠকে দুই দেশের জনপ্রশাসনের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পুনরায় চালুর ওপর গুরুত্ব দেন হাইকমিশনার। পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানান তিনি।
সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এস