দায়িত্ব গ্রহণের পর এক ভারতীয় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে তিনি কোনো জাতীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন না। এ দায়িত্ব সম্পূর্ণ আলাদা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমি এখানে কোনো জাতীয় প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধি হিসেবে আসিনি। এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়। আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করব, প্রশ্ন তৈরি করুন এবং আজ একজন উপস্থাপক হিসেবে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। যদি কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয় থাকে, আমি তো এখনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আমি আপনাদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলব।’

জাতিসংঘের সংস্কার কার্যক্রম ‘ইউএন৮০’ (UN80) প্রক্রিয়ায় সমর্থন অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।

খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমি মহাসচিবের (UN80) প্রক্রিয়াকে সমর্থন জানিয়ে যাব। আমি বিশ্বাস করি, আমি এই জায়গায় একজন পুরোনো মানুষ। আমি এই সংস্থাটিকে প্রতিনিধি (ডেলিগেট) হিসেবে দেখেছি। আবার কর্মী (স্টাফ মেম্বার) হিসেবেও দেখেছি। তাই সম্ভবত আমি বলব, আমি এটি ৩৬০ ডিগ্রি কোণ থেকে প্রত্যক্ষ করেছি।’

মঙ্গলবার রাতে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সমাপ্তি পর্বে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন খলিলুর রহমান।

বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ৮০তম অধিবেশনের সমাপ্তি পর্ব শেষে ৮১তম অধিবেশনের নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে তিনি শপথ নেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হন।

আগামী এক বছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন খলিলুর রহমান।

এমএম