মঙ্গলবার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইটে সেই চিঠি প্রকাশ করা হয়।
প্রায় তিন পাতার চিঠির শুরুতেই তিনি সহিংসতা বন্ধ, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং আন্দোলনের সময় ২০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করতে জরুরি ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।
ক্যালামার্ড লিখেছেন, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত ২৮ জুলাই সংবাদ সম্মেলনে ১৪৭ জনের নিহত হওয়ার কথা বললেও বেসরকারি সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে যে সহিংসতায় কমপক্ষে ২১১ জন নিহত হয়েছেন।
তিনি আরও লিখেছেন যে, সংস্থাটি গত ১০ দিনের ঘটনাকে পর্যালোচনা করেছে এবং তারা বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছেন; যাতে ইন্টারনেট বন্ধ থাকা অবস্থায় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, সেনাবাহিনীর মতো বাহিনী মোতায়েন করে বেআইনিভাবে বলপ্রয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
গত ১৯ জুলাই পুলিশদের প্রতি সেই ‘দেখামাত্র গুলি’ করার নির্দেশনা এবং এখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের বিষয়টিও চিঠিতে উল্লেখ করেন ক্যালামার্ড।
বাংলাদেশে চলমান ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ’ অবিলম্বে প্রত্যাহার, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো সম্পূর্ণভাবে চালু, গণগ্রেফতার বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ক্ষমতা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সংযম ধারণসহ নানা বিষয়ে অনুরোধ করেন তিনি।
এমএইচ





