সরকারি কলেজে প্রভাষক নিয়োগের লক্ষ্যে আয়োজিত এই বিশেষ বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন তিন লাখেরও বেশি প্রার্থী।

পিএসসির তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ৩ লাখ ১২ হাজারের বেশি প্রার্থী আবেদন করেছেন ৬৮৩টি শূন্যপদের বিপরীতে। অর্থাৎ, প্রতি পদের বিপরীতে প্রায় ৪৫৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এর মধ্যে সরকারি সাধারণ কলেজে ৬৫৩ জন এবং সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে ৩০ জন প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ রয়েছে বাংলা বিভাগে (৬১টি), এরপর রাষ্ট্রবিজ্ঞান (৫৫টি), ইংরেজি (৫০টি), অর্থনীতি (৪০টি), ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি (৩২টি) এবং দর্শন ও রসায়নে ৩০টি করে পদ রয়েছে।

শিক্ষা ক্যাডারে দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট দূর করতে পিএসসি গত ২১ জুলাই এই বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। আবেদন প্রক্রিয়া চলে ২২ জুলাই থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত।

আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয় সাধারণ প্রার্থীদের জন্য ২০০ টাকা, আর ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ৫০ টাকা। বয়সসীমা ছিল ২১ থেকে ৩২ বছর।

পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকার ১৮৪টি কেন্দ্রে। প্রার্থীদের সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। পরীক্ষায় মোট ২০০টি এমসিকিউ প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর, আর ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর কাটা হবে।

উত্তরপত্রের নির্ধারিত ঘরে কালো বলপেন দিয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে নিচের বৃত্ত ভরাট করতে হবে। পরীক্ষার সময় দুপুর ১২টার আগে কেউ কক্ষ ত্যাগ করতে পারবেন না।

পরীক্ষা কেন্দ্রে বই-পুস্তক, ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক কার্ড সদৃশ যন্ত্র, গহনা ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। গেটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।

প্রার্থীদের মোবাইলে নিষিদ্ধ সামগ্রী না আনার বিষয়ে এসএমএসের মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছে।

এছাড়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কানে কোনো আবরণ রাখা যাবে না। হিয়ারিং এইড ব্যবহার করতে চাইলে ডাক্তারের পরামর্শপত্র ও পিএসসির অনুমোদন লাগবে।

কেউ নকল বা প্রযুক্তি ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বন করলে, তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩ এবং বিসিএস পরীক্ষা বিধিমালা, ২০১৪ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এনএইচ