বিএনপি-জামায়াতসহ দেশের অন্য বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা আমন্ত্রিত হয়ে বৈঠকে অংশ নেন। কিন্তু আমন্ত্রণ পেয়ে অনুষ্ঠানস্থলে গিয়েও ফিরে আসতে হয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীরবিক্রম) ও মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমদকে।
আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় নাম না থাকায় তারা বৈঠকে অংশ নিতে পারেননি বলে জানিয়েছেন অলি আহমদ। তবে অন্তর্বর্তীকালীর সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে এখনো কেউ কিছু জানাননি।
এই বৈঠকে অবশ্য আমন্ত্রণ না পাওয়ায় অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগের আমলে বিরোধী দলে থাকা জাতীয় পার্টি।
বিকেল চারটার পরে বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে রাজনৈতিক দগুলোর সঙ্গে এই বৈঠক শুরু হয়।
সেখানে নির্ধারিত সময়ের ২৫ মিনিট আগে গিয়ে পৌঁছেন বলে জানান লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
তাহলে বৈঠকে না গিয়ে ফিরে এলেন কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ঢাকা মেইলকে বলেন, 'প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের আমন্ত্রণ পেয়ে নির্ধারিত সময়ের ২৫ মিনিট আগে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাই। সঙ্গে দলের মহাসচিব ছিলেন। গেটে অনেক ভিড় দেখে গাড়িতে বসেছিলাম। কিছু সময় পর দলের লোকজন আমাদের কথা গেটে বললে তারা আসতে বলেন। গেটে নিরাপত্তায় দায়িত্বে থাকা লোকজন চেক করে ভেতরের দিকে যেতে বললে আমাদের বৈঠকস্থলের বাইরে অপেক্ষা করতে বলা হয়। কিছু সময় পর তালিকা দেখে বলা হয়, আমাদের নাম আমন্ত্রিতদের তালিকায় নেই। পরে আমরা চলে এসেছি।'
সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে কোনো কথা না বলেই চলে এসেছেন কি না এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'তাদের বলেছিল এলডিপি দেশের প্রথম নিবন্ধিত দল। আমরা আমন্ত্রণ পেয়ে এসেছি। তারপরও যেহেতু নাম নেই তালিকায়, তাহলে ভাবলাম হয়ত আমরা ভুল করে ভুল কোনো জায়গায় চলে এসেছি। এরপর চলে এসেছি।'
কার মাধ্যমে দাওয়াত পেয়েছিলেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'মঙ্গলবার রাতে উপদেষ্টা ড. আদিলুর রহমান আমাদের মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমদকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ফোন করেছিলেন। তখন আমাদের পক্ষ থেকে দুজনের বৈঠকে অংশ নেবেন সেটাও জানিয়ে দেওয়া হয়।'
এ ব্যাপারে পরবর্তী সময়ে কারও সঙ্গে কথা বলবেন কি না- এমন প্রশ্ন করলে অলি আহমদ বলেন, ‘না আমরা কারও সঙ্গে কথা বলব না। কোনো কিছু করব না। তবে এলডিপি একটাই। এক নম্বর নিবন্ধিত দলকে বাদ দিয়ে কেউ কিছু করতে পারবে না।'
এনএইচ





