পোস্টে তিনি বলেন, ‘কেউ যদি ভেবে থাকেন মাহফুজ আলম একা, তাহলে তারা মারাত্মক ভুল করবেন। আমরা যারা মাহফুজের সঙ্গে আছি, আমরা থাকবই। কারণ, মাহফুজ হঠাৎ মাটি ফুঁড়ে হাজির হয়নি। সমাজের দ্বন্দ্ব-সংগ্রামের মধ্য থেকেই তরুণরা হাজির হয়েছে। তারাই ভবিষ্যৎ। সমাজকে চিনুন, মাহফুজদেরও চিনবেন। মাহফুজ, আখতার, নাহিদ, আসিফ, নুসরাত, আরিফ, তুষার, উমামা, হাসনাত, সারজিস, নাজিফা, আবু বকর, তরিকুল, সানজানাদের পয়দা করতে একটি জনগোষ্ঠীর দশকের পর দশক লেগে যায়।’
তালিকা বড় জানিয়ে কারও নাম যুক্ত করতে ব্যর্থতার ক্ষমা চেয়ে ফরহাদ মজহার বলেন, ‘গিবত গাইতে পারেন; ওতে লাভ হবে না। আমরা যারা সামনের দিকে তাকিয়ে এখনকার কথা বলি, আমরা বুঝতে পারি, তরুণদের কারণে দেশের জনগণের যে চেতনাগত উল্লম্ফন ঘটেছে, তার ফল আমরা পাবই পাব। বাংলাদেশ আর পেছন ফিরে তাকাবে না। নিশ্চিত থাকেন। আমাদের কাজ তাদের পাশে থাকা এবং অনভিজ্ঞতাজনিত ভুল ধরিয়ে দিয়ে আরও সংঘবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে তাদের আবির্ভাব নিশ্চিত করা।’
তিনি লিখেন, ‘আমরা কেউই ফেরেশতা নই। রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বিশ্বসভায় আমাদের শিরদাঁড়া খাড়া করে দাঁড়াতে হবে, দাঁড়াতেই হবে। ভূরাজনীতি এবং নিউ লিবারেল পুঁজিতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এটা সহজ কাজ নয়। কিন্তু বাংলাদেশ প্রস্তুত। সামনে আরও কঠিন লড়াই লড়তে হবে।’
এমএইচ





