বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে শনিবার ইউরেনিয়াম রূপপুর প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবারই ইউরেনিয়াম দেশে আসার কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় চালানটি পাঠানো সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় এ জটিলতা তৈরি হয়েছিল।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি কার্গোতে মোট নয়টি চালানে ইউরেনিয়াম দেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো জ্বালানি সরবরাহ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ডিসেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে প্রাথমিকভাবে ২০০ থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে বলে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে রূপপুরের দুটি ইউনিটে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।











