অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) ও নরক সেন্টার ফর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স রিসার্চের (এপি-নরক) সাম্প্রতিক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। জরিপটি ২৪ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২ হাজার ১৪০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিনির মধ্যে পরিচালিত হয়। এতে নমুনাগত ত্রুটির সীমা রয়েছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ পয়েন্ট।
নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ইরান যুদ্ধ এখন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের পাশাপাশি এর অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। জরিপে ৬৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিনি বলেছেন, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি দামের জন্য ট্রাম্পের নীতিই বেশি দায়ী।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক ক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগও কংগ্রেসে দেখা গেছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর সিনেটে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে একটি ওয়ার পাওয়ার্স রেজল্যুশন ৪৯-৫০ ভোটে আটকে যায়। এর আগে প্রতিনিধি পরিষদেও ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কংগ্রেসের কোনো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ বদলে গেলে ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রশাসনের ওপর নজরদারি আরও বাড়তে পারে। সামরিক অভিযান পরিচালনা ও এর অর্থায়ন নিয়েও কংগ্রেসে নতুন করে বিতর্ক এবং ভোটের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
এদিকে ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে আরও সেনা ও তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর প্রস্তুতির খবরও এসেছে।
জরিপের ফল অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ ও এর অর্থনৈতিক প্রভাব নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মার্কিন জনমত ও রাজনৈতিক বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।











