নাটোরের গুরুদাসপুরে গৃহবধূকে উত্যক্তের পর প্রকাশ্যে চপেটাঘাত করায় বাবলু (২৩) নামের এক যুবককে দুই মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ইয়াছমিন আক্তার তার কার্যালয়ে ওই সাজা প্রদান করেন। শুক্রবার অভিযুক্তকে জেল হাজতে পাঠনো হয়েছে।
থানা ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পারগুরুদাসপুর গ্রামের ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমানের স্ত্রী মোছা. শবনম মোস্তফাকে (২৮) ওই যুবক বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাবের মাধ্যমে উত্যক্ত করে আসছিলেন। গুরুদাসপুর বাজারে বাবুলের কাঁচা মালের দোকান রয়েছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার সকালে ভুক্তভোগী শবনম গুরুদাসপুর বাজারে গেলে বাবুল তাকে উত্যক্ত করেন। এসময় গৃহবধূ শবনম প্রতিবাদ করলে জনসম্মুখে বাবলু চুলের মুঠিধরে তাকে চপেটাঘাত করে।
এ ঘটনায় ওই দিন দুপুরে ভুক্তভোগী গৃহবধূ বখাটে বাবলুকে অভিযুক্ত করে গুরুদাসপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযুক্ত বাবলু গুরুদাসপুর গ্রামের খাদেমুল ইসলামের ছেলে। অভিযোগের ভিত্তিতে এস আই নুরুজ্জামান বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে গুরুদাসপুর বাজার এলাকা থেকে ওই বাবলুকে আটক করেন।
ভুক্তভোগী ও তার স্বামী হাবিবুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়ে তার স্ত্রীকে কু-প্রস্তাব দিতেন বাবলু। স্থানীয়ভাবে তারা প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো প্রতিবাদ করতে পারেননি। সর্বশেষ বাবুলের কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বৃহস্পতিবার সকালে গুরুদাসপুর বাজারে জনসম্মুখে তার স্ত্রীকে উত্যক্তের পর চপেটাঘাত করেন।
গুরুদাসপুর থানার এস আই নুরুজ্জামান অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাবলু ওই গৃহবধূকে উত্যক্ত করতেন। ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যেমে সাজা প্রদান করা হয়েছে।
এআই





