রোববার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মরিচাকান্দি লঞ্চ ঘাটের কাছের এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান জুয়েল ও নরসিংদী সদর উপজেলার সঙ্গীতা এলাকার জুলফু মিয়ার ছেলে ফরিদ মিয়।
আহতরা বাঞ্ছারামপুর পল্লী বিদ্যুৎ-এর জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আহমেদ শাহরিয়ার, সুমন মিয়া, রাকিব মিয়া, আহমেদ শাহরিয়ারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্পিডবোট চালক রুবেল মিয়া নিখোঁজ রয়েছেন।
স্পিডবোটের যাত্রী আহত সুমন সরকার বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফুটবল খেলা শেষে নরসিংদী থেকে আমরা রওনা হই। চালককে বারবার বলার পরও সে টর্চলাইট নেয়নি। অন্ধকারের মধ্যেই এসেছে সে। মরিচাকান্দি ঘাটের কাছে একটি বালিবাহী নৌকার সঙ্গে আমাদের স্পিডবোটটির সংঘর্ষ হয়। এতে আমিসহ সকলে পানিতে তলিয়ে যাই, এলাকাবাসী আমাদের উদ্ধার করে।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি রাজু আহমেদ বলেন, ১০ থেকে ১১ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট মরিচাকান্দি আসার পথে স্পিডবোটটির সঙ্গে বালিবাহী নৌকার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। ঘটনায় দুই জন নিহত ও চালক নিখোঁজ রয়েছে।
এমবি





