বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে শহীদ এসআই শিরুমিয়া মিলনায়তনে ডিএমপির ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ফোর্স বিভাগ আয়োজিত বিশেষ কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ বাহিনীর কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। এ প্রত্যাশা পূরণে আমরা নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেছি। আইন ও বিধির মধ্য থেকে এমনভাবে কাজ করতে হবে যেন জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়।

তিনি বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস একটি ঐতিহ্যবাহী ও পবিত্র স্থান। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধের সূচনা এখান থেকেই হয়েছিল। ডিএমপি হলো বাংলাদেশ পুলিশের দর্পণস্বরূপ। ডিএমপির প্রতিটি সাফল্য ও অর্জন বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে অনুপ্রাণিত করে।

কমিশনার বলেন, পুলিশ বাহিনী রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রাষ্ট্র যে দায়িত্ব দেয় তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। পুলিশের প্রতিটি কাজ আইন ও বিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আইনের বাইরে পুলিশের কাজ করার সুযোগ নেই। আইনের মধ্যে থেকেই কাজ করতে হবে।

কল্যাণ সভায় ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যরা তাদের সুনির্দিষ্ট কিছু সমস্যা ও চাহিদার কথা ডিএমপি কমিশনারের কাছে পেশ করেন। কমিশনার সকলের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং প্রত্যেকটি সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে সকলকে আশ্বস্ত করেন। রাজারবাগ পুলিশ লাইনসকে সুন্দর ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি ফোর্সের কল্যাণে যা করা প্রয়োজন তাই করা হবে বলে জানান।

ফোর্সের মনোবল ও কর্মো উদ্দীপনা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজনের পাশাপাশি মেসে উন্নত খাবার ও ব্যারাকে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন কমিশনার।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) খোন্দকার নজমুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) হাসান মো. শওকত আলী; যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, সংশ্লিষ্ট উপপুলিশ কমিশনার এবং ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ফোর্স বিভাগের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এসএম